রোগ প্রতিরোধ থেকে প্রদাহনাশে, ত্বক থেকে চুলের পরিচর্যায় আমলকির জুড়ি মেলা ভার। এটি চুল ও মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যরক্ষায় নানা ভাবে কার্যকরী। ভিটামিন সি, প্রয়োজনীয় খনিজ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, আয়রন, ক্যালশিয়াম ইত্যাদিতে ভরপুর আমলকি ফল খাওয়ার পাশাপাশি শুকিয়ে গুঁড়ো করেও ব্যবহার করা যেতে পারে। এর নানাবিধ পুষ্টি উপাদান চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।
পুষ্টিগুণে ভরপুর আমলকি দিয়ে কেশচর্চা। ছবি: সংগৃহীত
আমলকি গুঁড়ো ব্যবহারের উপকারিতা
চুলের বৃদ্ধি: আমলকি মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, ফলে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং চুল দ্রুত বাড়তে পারে।
চুল পড়া রোধ: আমলকির ভিটামিন ও খনিজ উপাদান চুলের গোড়াকে মজবুত করায় চুলের ভাঙন কমে। এর ফলে চুল পড়াও কমে।
চুলের গঠনে উন্নতি: চুলের আগাফাটার প্রবণতা কমানোর পাশাপাশি চুল ছিঁড়ে যাওয়ার সমস্যাও কমে। ফলে গঠন উন্নত হয় চুলের।
চুল মসৃণ হয়: নিয়মিত আমলকি মাখলে চুল মসৃণ, কোমল, ঝলমলে এবং ঘন দেখায়।
অকালে পাক ধরা রোধ: চুলের প্রাকৃতিক রং বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং অকালে পেকে যাওয়ার প্রবণতা কমায়।
মাথার ত্বকে পুষ্টি : মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ পুনর্গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
খুশকি কমায়: আমলকির অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও প্রদাহনাশী গুণ মাথার ত্বক সুস্থ রাখে এবং খুশকি কমাতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন:
কী ভাবে ব্যবহার করবেন আমলকির গুঁড়ো
· ২-৩ টেবিল চামচ আমলকির গুঁড়োর সঙ্গে অল্প গরম জল বা ঘরে পাতা দই মিশিয়ে নিন।
· শুকনো বা হালকা ভিজে চুলে মাখতে হবে আমলকিগুঁড়ো।
· আঙুল দিয়ে সিঁথি কেটে কেটে মাথার ত্বকে মেখে নিন।
· আঙুল দিয়ে আলতো চাপে মাথার ত্বক মাসাজ করে নিন।
· ধীরে ধীরে প্রতিটি চুলের আগা পর্যন্ত মেখে নিন।
· ৩০-৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন।
· শেষে মৃদু একটি কন্ডিশনার মেখে নিতে পারেন।