চুল পড়া বন্ধ করতে কত কী না করেছেন! তেল, শ্যাম্পু, সিরাম কিছুই বাদ দেননি। তবু চুল পড়া রুখতে পারেননি। তার উপর খুশকি তো আছেই। শীতের দিনে চুল পড়ার সমস্যা আরও বাড়ে। চুল খসখসে ও রুক্ষ হয়ে যায়। তাই শুধু শ্যাম্পু করলে বা সিরাম ব্যবহার করলে তা বন্ধ করা যাবে না। ভিতর থেকে চুলের পুষ্টি প্রয়োজন। সেই পুষ্টি আসবে কিছু বীজ থেকে। কোনটি কী ভাবে ব্যবহার করলে চুল পড়া বন্ধ হবে, জেনে নিন।
কুমড়ো-তিসির বীজ
কুমড়োর বীজে রয়েছে জ়িঙ্ক এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এই সব উপাদান চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায়। তিসি আবার অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। এই অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট মাথার ত্বকে প্রদাহজনিত সমস্যা দূরে রাখে। প্রথমে কড়াইতে নারকেল তেল গরম করতে দিন। চাইলে অলিভ অয়েল বা কাঠাবাদামের তেলও ব্যবহার করতে পারেন। এ বার তেলের মধ্যে তিসি ও কুমড়োর বীজ দিয়ে দিন। তেল ভাল মতো গরম হয়ে গেলে তার মধ্যে দিতে হবে একমুঠো শুকনো রোজ়মেরি পাতা। ফুটে গেলে ৭-৮ ঘণ্টা ঠান্ডা হতে দিন। তার পর ব্যবহার করুন।
আরও পড়ুন:
তরমুজের বীজ
প্রথমে তরমুজের বীজ ভাল ভাবে ধুয়ে হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। অথবা শুকনো কড়াই আঁচে বসিয়ে তাতে নেড়ে নিন। এ বার ব্লেন্ড করে মিহি পাউডার তৈরি করে নিন। এতে সামান্য জল দিয়ে আরও একবার মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিয়ে মিহি মিশ্রণ বানিয়ে নিন। একটি পাত্রে নারকেল তেল সামান্য গরম করে ছেঁকে নেওয়া তরল তার মধ্যে মিশিয়ে নিন। হালকা নাড়াচাড়া করে একটি কাচের পাত্রে ঢেলে রাখুন। ব্যবহারের সময়ে এতে অ্যালো ভেরা মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল নরম ও মসৃণও হবে।
মেথির বীজ
জল গরম করুন। তার পর জলে একে একে মেথি, তিসির বীজ, কারিপাতা দিয়ে ৩০-৪০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে শুকিয়ে এলে নামিয়ে রাখুন। ঠান্ডা করে ছাঁকনিতে ছেঁকে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে ২০-২৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে ২-৩ দিন যদি এই মাস্ক ব্যবহার করেন, তা হলে চুল পড়া বন্ধ হবে।