ছাতা, রোদচশমা, সানস্ক্রিন যতই থাক— রোদে ঘোরাঘুরি করলে ট্যান পুরোপুরি এড়ানো কিছুটা কঠিনই। বর্ষাকালেও ট্যানের হাত থেকে মুক্তি নেই। বিশেষত যাঁদের কাজের জন্য বাইরে ঘোরাঘুরি করতে হয়, তাঁদের সমস্যা হয় আরও বেশি।
সমস্যা থাকলে তার সমাধানও থাকবে। বাজারচলতি নানা রকম ডি-ট্যান মাস্ক আছে। কালচে ছোপ তোলার নানা রকম পেশাদার পন্থাও ইদানীং জনপ্রিয় হচ্ছে। তবে চাইলেই সব সময় সালোঁয় যাওয়া যায় না। আবার বাজারচলতি সব মাস্ক সমান ভাবে কার্যকরও হয় না। তা ছাড়া এগুলিতে থাকে নানা রকম রাসায়নিক, তাতে ত্বকের ক্ষতির আশঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বদলে ভরসা রাখতে পারেন অভিনেত্রী হেমা মালিনীর পন্থায়।
৭৭ বছর বয়সেও বার্ধক্য যেন ছুঁতে পারেনি হেমাকে। অভিনেত্রীর টানটান জেল্লাদার ত্বকে বলিরেখাও তেমন দৃশ্যমান নয়। এক সাক্ষাৎকারে হেমার কন্যা ঈশা দেওল জানান কী ভাবে ট্যান দূর করেন তাঁর মা। ঈশার মতে, হেমা মালিনী সব সময় নিজের কাছে একটি শিশি রাখতেন। শিশিতে ভরা থাকত গ্লিসারিন আর লেবুর রস। শুটিং থেকে বাড়ি ফিরেই এই মিশ্রণটি মুখে এমং গায়ে মাখতেন হেমা। ট্যান দূর করতে এই মিশ্রণটি নাকি বেশ কাজের।
গ্লিসারিন ত্বক আর্দ্র রাখে। ত্বকের উপরিভাগ নরম করে মৃতকোষ দূর করতেও কাজে লাগে। ত্বকের দাগছোপ দূর করতেও গ্লিসারিন উপকারী। প্রদাহনাশক হিসাবেও গ্লিসারিনের ব্যবহার করা হয়।
ট্যান দূর করতে আর কী ভাবে গ্লিসারিন ব্যবহার করবেন?
১) গোলাপজলের সঙ্গেও গ্লিসারিন মিশিয়ে মুখে মাখতে পারেন।
২) অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গেও গ্লিসারিন মিশিয়ে মুখের ট্যান দূর করতে পারেন।
৩) হাতের কাছে মধু থাকলেও সেটিও মিশিয়ে নিতে পারেন গ্লিসারিনের সঙ্গে। এই মিশ্রণও ট্যান দূর করতে পারে।