রাজস্থান, পঞ্জাব-সহ বেশ কয়েটি রাজ্যে গাট্টে কি কড়ি, কড়ি পকোড়া, কড়ি চাওল খাওয়ার চল রয়েছে। বেসন এবং টক দই দিয়ে তৈরি হয় কড়ি। ওজন কমাতে চাইলে পকোড়া নয়, কড়ি হোক অন্য ভাবে। পুষ্টিগুণ বৃদ্ধিতে কড়িতে মিশুক বাড়তি প্রোটিন।
কড়ি তৈরির পন্থা
টক দই এবং বেসন দিয়ে মূলত এই খাবারটি তৈরি হয়। টক দই এবং বেসন ফেটিয়ে লঙ্কার গুঁড়ো, হলুদ যোগ করুন। মিশিয়ে নিন বেশ কিছুটা জল। দেখতে হবে ঘোলের মতো। কড়াইয়ে কড়াইয়ে কারিপাতা, শুকনো লঙ্কা, সর্ষে ফোড়ন দিয়ে দই-বেসনের মিশ্রণ ঢেলে দিন। স্বাদমতো নুন, ধনেগুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে নিন। তার মধ্যে যোগ করা হয় গাট্টে অথবা পকড়ো।
সয়াবিন: সয়াবিন প্রোটিনে ভরপুর, সুস্বাদুও। বেসনে গুলে পকোড়া তৈরি করে কড়িতে মেশালে, যতটা প্রোটিন পাওয়া যায়, তার চেয়ে প্রোটিনের মাত্রা বাড়বে সয়াবিনে। তা ছাড়া, পকোড়া ছাঁকা তেলে ভাজা হয় বলে এতে ক্যালোরির মাত্রা যেমন বাড়ে, তেমন বেসনের পুষ্টিগুণও কমে যায়। তবে সয়াবিনের কড়ি নামমাত্র তেলেই সম্ভব।
অঙ্কুরিত মুগ: স্বাস্থ্যকর এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ কড়ির উপকরণ হতে পারে অঙ্কুরিত মুগ। পন্থা একই। দই-বেসনের মিশ্রণের সঙ্গে ফুটিয়ে নিতে হবে অঙ্কুরিত মুগ। মুগ সেদ্ধ করেও নেওয়া যায়।
রাজমা: প্রোটিনে ভরপুর রাজমাও। রাজমা ভিজিয়ে নুন-হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। কড়ির সঙ্গে সেটি ফুটিয়ে নিন।
কাবলি ছোলা: তালিকায় রাখতে পারেন কাবলি ছোলাও। প্রচুর পরিমাণে প্রোটিনের পাশাপাশি, খনিজও থাকে এতে। পন্থা সহজ। কাবলি ছোলা সেদ্ধ করে নিতে হবে। তার পরে কড়ির সঙ্গে ফুটিয়ে নিলেই চলবে।
পনির: প্রোটিনে ভরপুর পনিরের টুকরো দিয়ে কড়ি রান্না করে দেখুন। পঞ্জাবি, রাজস্থানি, গুজরাতি— রাজ্য ভেদে কড়ি তৈরির ফোড়নে খানিক বদল হয়। কোথাও গোটা ধনে ব্যবহার হয়, কোথাও কারিপাতা। স্বাদ বুঝে ফোড়ন পাল্টানে যেতে পারে।