Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৪ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

Covid: টিকাকরণের পর অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করাবেন? জেনে নিন কোন ধরনের পরীক্ষা কার্যকরী

অনেকেই কোভিড টিকার নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করানোর কথা ভাবেন। কিন্তু কখন করাবেন, আর কোন ধরনের পরীক্ষা করাবেন, তা-ও জানতে হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২২ জুন ২০২১ ১৩:০৯
Save
Something isn't right! Please refresh.
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।
ছবি: সংগৃহিত

Popup Close

টিকাকরণের পর অনেকেই মনে করছেন, তাঁদের শরীরে আদৌ অ্যান্টিবডি তৈরি হল কি না তা যাচাই করার জন্য অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করিয়ে নেবেন। যদিও বেশির ভাগ মানুষর ক্ষেত্রে টিকাকরণের পর এই পরীক্ষা করানোর কোনও প্রয়োজন নেই বলে জানানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে, তা-ও আটকানো যায়নি মানুষকে। অনেকেই অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করতে ছুটেছেন। কিন্তু সঠিক ফল পাওয়ার জন্য টিকাকরণের একটা নির্দিষ্ট সময় পর এবং একটা নির্দিষ্ট ধরনের অ্যান্টিবডি টেস্ট করানো প্রয়োজন।

টিকাকরণের পরেই সঙ্গে সঙ্গে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় না। তাই খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করালে ভুল ফল পাবেন। আবার কোনও ধরনের অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় খোঁজা হচ্ছে, সেটাও জানা জরুরি। না হলে কোনও লাভই হবে না পরীক্ষা করিয়ে। হয়তো আপনি ভাববেন, টিকাকরণের পরও আপনি সুরক্ষিত নন। আদপে হয়তো আপনার শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়ে গিয়েছে!

বেশির ভাগ বৈজ্ঞানিক এবং চিকিৎসক মনে করেন, টিকাকরণের পর অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করানোর কোনও প্রয়োজন নেই। কিন্তু যাঁদের শরীরে কোনও রকম অঙ্গ প্রতিস্থাপন হয়েছে, বা যাঁদের রক্তের ক্যানসার রয়েছে, বা অন্য কোনও রোগের কারণে যাঁদের শরীরের প্রতিরোধশক্তি এমনিই কম, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ধরনের পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উপকারী হতে পারে। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, তাঁদের শরীরে যথেষ্ট সংখ্যায় অ্যান্টিবডি থাকে না।

Advertisement

টিকাকরণের পর অন্তত দু’সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করানোর আগে। কারণ তার আগে ঠিক মতো অ্যান্টিবডি তৈরি হয় না শরীরে। অনেক অ্যান্টিবডি টেস্টই ‘র‌্যাপিড’। মানে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এ ফল পাওয়া যায়। অন্য কোনও বিস্তারিত তথ্য ছাড়াই। এই ধরনের পরীক্ষা বহু ক্ষেত্রে শরীরে অ্যান্টিবডির সংখ্যা কম থাকলে ধরতে পারে না। তাই দু’সপ্তাহ পর যখন অ্যান্টিবডির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ার কথা, তখনই পরীক্ষা করানো উচিত।

কী ধরনের অ্যান্টিবডির খোঁজ করা হচ্ছে পরীক্ষায় সেটাও জরুরি। অনেক ক্ষেত্রে স্পাইক অ্যান্টিবডির পরীক্ষা না করে এন অ্যান্টিবডির পরীক্ষা করা হয়। সে সব ক্ষেত্রে ফল ‘নেগেটিভ’ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। রিপোর্ট ঠিক করে না দেখলে আপনি হয়তো ভুল ভাবতে পারেন, যে আপনার শরীরে অ্যান্টিবডি নেই। যেখানে সত্যিই আদপে অন্য।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এ বিষয়ে জানিয়েছে, নানা ধরনের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা বিভিন্ন দেশে করা হয়। সেগুলোর মধ্যে কোনটা সেরা তা নিয়ে সারাক্ষণই গবেষণা চলছে।



Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement