Advertisement
E-Paper

কেনাকাটার পর ব্যাগ ধরার জন্যও লোকও ভাড়ায় মিলছে! ফোনের এক ক্লিকেই শত মুশকিল আসান

যাঁরা কেনাকাটা করতে ভালবাসেন, তাঁরা যে সব সময়ে প্রয়োজনেই কেনাকাটা করেন, এমন নয়। কেনাকাটার ছুতোয় ঘোরাঘুরি, খাওয়াদাওয়া— সবই হয়। তবে হাতে একাধিক ব্যাগ থাকলে খাওয়াদাওয়া তো দূরের কথা, রাস্তাঘাটে হাঁটাচলা করতেও অসুবিধা হবে। আর সেই সমস্যারই সমাধানের জন্য কর্মী নিয়োগ করেছে দিল্লির স্টার্টআপ সংস্থাটি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ মে ২০২৬ ১৮:২৯
যত খুশি তত কিনুন, সঙ্গে আছেন ‘ব্যাগধারী’।

যত খুশি তত কিনুন, সঙ্গে আছেন ‘ব্যাগধারী’। ছবি: সংগৃহীত।

গড়িয়াহাট কিংবা হাতিবাগানে গিয়ে নিশ্চয়ই অনেক বার কেনাকাটা করেছেন? কেনাকাটার পর এক হাতে চার-পাঁচটি ব্যাগ, অন্য হাতে খাবারের প্যাকেট! গরমে ঘেমেনেয়ে একশা অবস্থা, তার উপর খানিক পরে পরেই "সরুন, সরুন", এমন ডাক। এত সবের মাঝেও মায়ের আবদার, "আরও একটা দোকানে চল, কথা দিচ্ছি এটাই শেষ!"

কেনাকাটা করতে বেরিয়ে এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়, তখন মাঝে মাঝে মনে হয়, কেনই বা এলাম, এর থেকে তো বাড়িতেই ভাল ছিলাম। কখনও হাতভর্তি ব্যাগগুলির জন্য কেনাকাটার শেষের দিকে আর জিনিসগুলি পরখ করে দেখাও হয়ে ওঠে না। এমন পরিস্থিতিতে মনে শখ জাগতেই পারে, ইস্ কেউ সঙ্গে থাকলে কী ভালই না হত! এই সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে দিল্লির এক স্টার্টআপ সংস্থা। আপনি কেনাকাটা করবেন, আর আপনার ব্যাগ ধরার জন্য লোক ভাড়ায় মিলবে— এমনই উদ্যোগ শুরু করেছে স্টার্টআপ সংস্থা ‘ক্যারিমেন’।

যাঁরা কেনাকাটা করতে ভালবাসেন, তাঁরা যে সব সময়ে প্রয়োজনেই কেনাকাটা করেন এমনটা নয়। মন ভাল করতেও কেনাকাটার জন্য বেরিয়ে পড়েন কেউ কেউ। কেনাকাটার ছুতোয় ঘোরাঘুরি, খাওয়াদাওয়া— সবই হয়। তবে হাতে একাধিক ব্যাগ থাকলে খাওয়াদাওয়া তো দূরের কথা, রাস্তাঘাটে হাঁটাচলা করতেও অসুবিধা হবে। আর সেই সমস্যারই সমাধানের জন্য কর্মী নিয়োগ করেছে দিল্লির স্টার্টআপ সংস্থাটি।

কী কী সুবিধা মিলবে?

আপনি ঠিক কতগুলি ব্যাগ বহন করাবেন তার উপর নির্ভর করবে, কত টাকা ভাড়া দিতে হবে। মোটামুটি ঘণ্টায় ১৪৯ টাকাতেই ব্যাগ ধরার জন্য লোক ভাড়া করতে পারেন। ব্যাগ ধরার পাশাপাশি কোন দোকানটি কোথায়, কোন জায়গায় ভাল কী পাওয়া যায়, সে ব্যাপারেও আপনাকে খোঁজখবর দেবেন সেই ব্যক্তি। কেনাকাটার মাঝে আপনার জন্য রেস্তরাঁয় লাইনও দেবেন তিনি, কোথায় বিশ্রাম নিতে পারবেন, সেই হদিসও দেবেন।

সংস্থার মালিকের বক্তব্য এখনও পর্যন্ত বয়স্কেরাই বেশি বুকিং করছেন। তাঁরা বাড়ির জন্য টুকিটাকি জিনিস কিনতে যাওয়ার সময় এমন কাউকে সহজেই পেয়ে যাচ্ছেন, যাঁরা ভারী জিনিস তুলতে, তাঁদের রাস্তা চেনাতে সাহায্য করবেন। কেনাকাটার মাঝে ক্লান্ত হয়ে পড়লে সেই অচেনা ব্যক্তিই মাথার উপর ছাতা ধরছেন, জলের বোতলটি এগিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি, মোবাইলে চার্জ না থাকলে পাওয়ার ব্যাঙ্ক দিয়েও সাহায্য করছেন তাঁরা।

Shopping Hacks
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy