Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৪ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

হঠাৎ ব্লাড প্রেশার কমে যাচ্ছে? এ সব করতে ভুলবেন না

নিম্ন রক্তচাপের বেলায় তাকে অবহেলা করার কোনও কারণ নেই। বরং জেনে রাখা ভাল, হঠাৎ রক্তচাপ কমে গেলে ঘরোয়া কী কী উপায় অবলম্ব করা উচিত। দেখে নিন সে

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৫ অগস্ট ২০১৮ ১৭:২১
Save
Something isn't right! Please refresh.
অসুখ সামাল দিতে নিয়মিত রক্তচাপ মাাপুন। ছবি: পিক্সঅ্যাবে।

অসুখ সামাল দিতে নিয়মিত রক্তচাপ মাাপুন। ছবি: পিক্সঅ্যাবে।

Popup Close

পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস, মানসিক উদ্বেগ, অতিরিক্ত পরিশ্রম, স্নায়বিক দুর্বলতা ইত্যাদি নানা কারণ শরীরের রক্তচাপের উপর প্রভাব ফেলে। অনেক সময় অনেকে অজ্ঞান হয়ে পড়েন কম রক্তচাপের কারণে। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০/৮০। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) আধুনিক জীবনযাপনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই মাপকাঠিকে ১৪০/৯০ পর্যন্ত স্বীকৃতি দিয়েছে। ‘হু’-র মতে, রক্তচাপ যদি ১১০/৬০-এর নীচে নেমে যায়, তা হলে লো ব্লাড প্রেসার বলে তাকে ধরে নিতে হবে।

রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে গেলে মস্তিষ্ক, কিডনি, হৃৎপিণ্ডে ঠিক ভাবে রক্ত চলাচল করতে পারে না। ফলে বুক ধড়ফড় করে, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, চোখে অন্ধকার ঘনিয়ে আসা, বমি ভাব, স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়। যেখানে সেখানেই এই সমস্যা হানা দিতে পারে।

চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সুবর্ণ গোস্বামীর মতে, অনেকেরই ধারণা, উচ্চ রক্তচাপের চেয়ে নিম্ন রক্তচাপ কম ভয়ের। প্রথমেই এই মিথ ভেঙে ফেলা উচিত। উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে রোগী সহজেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের শিকার হতে পারেন। তা বলে নিম্ন রক্তচাপের বেলায় তাকে অবহেলা করার কোনও কারণ নেই। কারণ, হৃদযন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে নিম্ন রক্তচাপও। তাই এমন হলেও দ্রুত পরামর্শ নিন চিকিৎসকের। দীর্ঘ দিন ধরেই রক্তচাপ কম থাকলে অন্য কোনও অসুখের উপসর্গও হতে পারে এটি। তাই এমন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে জেনে রাখা ভাল, হঠাৎ রক্তচাপ কমে গেলে ঘরোয়া কী কী উপায় অবলম্ব করা উচিত।

Advertisement

চিকিৎসকদের মতে, এমন হলে প্রথমেই নুন-চিনির জল দিন রোগীকে। এক গ্লাস জলে ২-৩ চা চামচ চিনি ও এক চা চামচ নুন মেশান। নুনের সোডিয়াম ও চিনির শর্করা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তবে ডায়াবিটিসের রোগী হলে চিনি বাদ দিয়ে বেশি করে নুন-জল খান। যেদিন এমন হবে, পারলে সেই দিনটা সব খাবারের মাঝেই রাখুন নুন-চিনির জল। রোগীর ঘাড়ে, কানের লতির দু’পাশে ও চোখে-মুখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিন। এতে তিনি অনেকটাই সুস্থ বোধ করবেন। স্নায়ুগুলি আরাম পাবে। শরীরে প্রোটিন কমলেও রক্তচাপের উপর তার প্রভাব পড়ে। দুধ ও ডিমে হাই প্রোটিন। তাই এমন হলে রোগীকে পথ্য হিসাবে দিন ডিম ও দুধ। মূলত, ডিমের কুসুম। কফি প্রেশার বাড়াতে খুব কার্যকর। ক্যাফিন আছে এমন পানীয় তাড়াতাড়ি রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই তা কমে গেলে কড়া করে খফি খেতে দিন রোগীকে। বাড়িতে যষ্টিমধু থাকলে এই অবস্থায় তা খুব কাজে আসবে। এক কাপ জলে ১০০ গ্রাম যষ্টিমধু মিশিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর জলটি খেতে দিন রোগীকে। যষ্টিমধু রক্তকে শুধু পরিশুদ্ধই করে না, বরং রক্তচাপের ভারসাম্যও বজায় রাখে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement