খাটের নীচের অংশ যেন আড়াল। অদরকারি বা স্বল্প প্রয়োজনীয় সব কিছুকেই সেখানে রেখে দেওয়া যায়। আগেকার দিনে যখন বক্সখাট ছিল না, অনেকেই উঁচু খাটের নীচের অংশে টিনের তোরঙ্গ, বাক্স-প্যাঁটরা ঢুকিয়ে রাখতেন। এখনও তেমন ভাবেই অনেকে জিনিস রাখেন। পাশাপাশি, এখন খাটের ধরনে বদল এসেছে। বক্স খাটে জিনিসপত্র রাখার ব্যবস্থা থাকে। সুবিধা হল, এখানে যেমন অনেক কিছু ধরে যায়, তেমনই রাখার সুবিধাও হয়। বাইরে থেকে তা দেখাও যায় না। কিন্তু তাই বলে সব জিনিসই কি সেখানে ভরে ফেলা যায়? বক্সখাট হোক বা আগেকার দিনের খাট, কোন জিনিস খাটের নীচে না রাখাই ভাল তা দেখে নেওয়া যাক।
বাক্স: পাতলা কাঠের বাক্স বা পিচ বোর্ডের বাক্সে অনেক সময় হাবিজাবি জিনিস ভরে সেগুলি খাটের নীচে রেখে দেন অনেকে। এই ধরনের প্যাকিং বাক্সে জিনিস রাখা সুবিধাজনক। কিন্তু দীর্ঘ দিন খাটের নীচে বদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকলে ধুলো-ময়লা হবে তো বটেই, এই ধরনের বাক্সে পোকাও ধরতে পারে। তা থেকে খাটেরও ক্ষতি হতে পারে।
কম্বল: কম্বল, তোষক অনেকেই ভাঁজ করে খাটের নীচে রাখেন। কিন্তু সেখানেও প্রচণ্ড ধুলো হয়। চোখে দেখা যায় না বটে, কম্বল-তোষক ঝাড়লে ধুলো ওড়ে। যদি একান্তই কম্বল বা তোষক রাখতে হয়, সেটি ব্যাগে ভরে বা সুতির বিছানার চাদরে মুড়ে রাখুন। এতে কম্বলে ধুলো হবে না।
আরও পড়ুন:
চামড়ার জিনিস: চামড়ার ব্যাগ কিংবা জ্যাকেটও কি খাটের নীচের জিনিসপত্রের স্তূপে ঠাঁই পেয়েছে? চামড়া কিন্তু এই রকম বদ্ধ জায়গায় অযত্নে ফেলে রাখলে শক্ত কাঠের মতো হয়ে যায়। তার জেল্লাও কমে যায়।
স্যুটকেস: অনেকেই বড় এবং ভারী স্যুটকেস খাটের নীচে রেখে দেন। বেশি ভারী স্যুটকেস হলে খাটের নীচের অংশে চাপ পড়তে পারে। তা ছাড়া সেটি রাখা, বার করাও বেশ ঝামেলার। বার করতে গিয়ে ঘষা বা ধাক্কা লাগলে, স্যুটকেস এবং খাট দু’টিরই ক্ষতি হতে পারে।
বৈদ্যুতিক জিনিস: এই ধরনের জিনিসপত্রও খাটের নীচে না রাখাই ভাল। দীর্ঘ দিন পড়ে থেকে ধুলো জমলে কলকব্জা বিকল হতে পারে। যে কোনও জিনিস রাখতে হলে, সেটি এমন ভাবে রাখা প্রয়োজন যাতে ধুলো না ঢোকে বা জিনিসটি খারাপ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি না থাকে।