নতুন জুতো কেনা হলে কেউ কেউ কিছু দিন সেটি বাক্সে ভরে রাখেন। তার পর বাক্সের ঠাঁই হয় বর্জ্যে। কখনও আবার জুতোর তাক থেকে পুরনো বাক্স খুঁজে, ফেলেও দেওয়া হয়। তবে ভাবতে জানলে, ছোটখাটো অপ্রয়োজনীয় জিনিস দিয়েই হতে পারে কাজের কাজ। যেমন জুতোর বাক্স। তা দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন নেলপলিশ বা দুল রাখার শৌখিন স্টোরেজ বাক্স।
নেলপলিশ রাখার জায়গা
জুতোর বাক্স দিয়ে এই ভাবে বানান নেলপলিশ রাখার জায়গা। ছবি: এআই দ্বারা প্রণীত।
জুতোর বাক্সটি শৌখিন কোনও কাগজ দিয়ে মুড়ে ফেলুন। তার উপর স্কেচপেন দিয়ে সুন্দর কোনও উক্তি লিখতে পারেন কিংবা নানা কারুকাজও করতে পারেন। বাক্সের ভিতরে পাতলা পিচবোর্ড দিয়ে ৪-৬টি খোপ বানিয়ে নিন। প্রতিটি খোপে সুন্দর করে নেলপলিশ সাজিয়ে রাখুন।
গয়নার বাক্স
জুতোর বাক্স দিয়ে কী ভাবে তৈরি করবেন গয়নার বাক্স? ছবি: এআই দ্বারা প্রণীত।
ইমিটেশন, কড়ি, মাটি— নানা রকম শখের গয়না থাকে মহিলাদের। সেই সব রাখার জন্য জুতোর বাক্স ব্যবহার করতে পারেন। একটি জুতোর বাক্স নিন। রঙিন উজ্জ্বল নকশাদার কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে ফেলুন বাক্সটি। পুঁতি, ছোট কাচ দিয়ে মনের মতো নকশা করুন। ভিতরে ছোট ছোট প্লাস্টিকের পাউচে এক একটি গয়না ভরে রাখুন। প্লাস্টিকের পাউচে ভরে রাখলে গয়নার রং চটবে না, মাটির গয়না ভেঙেও যাবে না।
খুদের খেলনার বাক্স
খুদের আঁকিবুকিতে নতুন রূপ পাক জুতোর বাক্স। ছবি:সংগৃহীত।
ছোটদের খেলনা, আঁকার জিনিস, বই-পত্র কোথায় রাখবেন ভেবে পান না? তাকে সঙ্গে নিয়েই জুতোর বাক্স দিয়ে বানান খেলনার বাক্স। খুদের হাতে আঁকা ছবি দিয়ে মুড়ে ফেলুন বাক্সটি। আবার যদি বাক্সটি সাদা রঙের হয়, স্কেচপেন দিয়ে ছোট্ট সদস্যকেই মনের মতো ছবি আঁকতে বলুন। তার ভিতরে খেলনা গুছিয়ে দিন। এই ভাবে ছোটরাও জিনিস গুছিয়ে রাখতে শিখবে।