ইস্টবেঙ্গল ৩ (বিপিন, এজ়েজারি ২)
ওড়িশা এফসি ০
আইএসএলে ওড়িশা এফসিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। পরিবর্ত হিসাবে নেমে জোড়া গোল করলেন ইউসেফ এজ়েজারি। ম্যাচের ১১ মিনিটে অস্কার ব্রুজ়ো দলকে অবশ্য এগিয়ে দেন বিপিন সিংহ। মঙ্গলবার প্রথম থেকেই আগ্রাসী মেজাজে ছিলেন লাল-হলুদ ফুটবলারেরা। এ দিনের জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে ইস্টবেঙ্গল।
পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নেমেই জোড়া গোল করে ইস্টবেঙ্গলের জয় নিশ্চিত করলেন এজ়েজারি। ম্যাচের প্রথম থেকেই অবশ্য দাপট ছিল ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের। লাল-হলুদ ফুটবলারেরা সারাক্ষণ ব্যস্ত রেখেছিলেন প্রতিপক্ষের রক্ষণকে। নিজের ১৫০তম ম্যাচে গোল করে ব্রুজ়োর দলকে প্রথমে এগিয়ে দেন বিপিন। তখন ম্যাচের বয়স ১১ মিনিট। বাঁ দিকের উইং থেকে পিভি বিষ্ণু নিচু ক্রস করে বক্সে। অরক্ষিত থাকা বিপিন বল পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি। বিষ্ণুও এ দিন তাঁর ৫০তম ম্যাচ খেলে ফেললেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই ওড়িশার রক্ষণে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা যায় গোয়ার মাটিতে। ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারেরা সুযোগ বুঝে প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছিলেন সারাক্ষণ। এ দিন সেরা একাদশ নামাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। কার্ড সমস্যায় ছিলেন না মিগুয়েল ফেরেইরা। চোটের জন্য ছিলেন না আনোয়ার আলি। এজ়েজারিকেও প্রথম দলে রাখেননি ব্রুজ়ো। নানা সমস্যায় জর্জরিত ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারেরা অবশ্য জয়ের জন্য মরিয়া ছিলেন। তা-ও প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়াতে পারেননি তাঁরা।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আগ্রাসী মেজাজে শুরু করেন সৌভিক চক্রবর্তীরা। ওড়িশা খেলার গতির বিপরীতে বিক্ষিপ্ত কয়েকটি সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি। সুযোগ নষ্ট করেছেন ইস্টবেঙ্গলের নন্দকুমার, অ্যান্টন সয়বার্গেরাও। ৬২ মিনিটে সয়বার্গকে তুলে এজ়েজারিকে নামান ব্রুজ়ো। জয় নিশ্চিত করতেই এই পরিবর্তন করেন লাল-হলুদ কোচ। তাঁর আস্থার মর্যাদা দিয়ে ৫ মিনিটের মধ্যে দু’টি গোল করেন এজ়েজারি। ৬৯ মিনিটে বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়া তাঁর শট আটকে দেন ওড়িশার গোলরক্ষক অনুজ সিংহ। ফিরতি বল পেয়ে গোল করেন এজ়েজারি। ৮৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এজ়েজারি। বক্সে বিপিনের ক্রস ধরে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
আরও পড়ুন:
এ দিন লাল-হলুদ জার্সিতে প্রথম ম্যাচ খেললেন জেরি। নিজের পুরনো দলের বিরুদ্ধেই অভিষেক হল তাঁর। গোয়া থেকে ৩ পয়েন্ট পাওয়ায় কিছুটা স্বস্তিতে থাকবে লাল-হলুদ ব্রিগেড।