শীতের সকাল মানেই কড়াইশুঁটির কচুরি আর ঝাল ঝাল আলুর দম। যে কোনও রান্নায় কড়াইশুঁটি দিলেই খাবারের স্বাদ বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়। মাছের ঝোল হোক বা ফুলকপির ডালনা, মুগের ডাল হোক বা পাঁচমিশালি সব্জি— শীতকাল মানেই যে কোনও রান্নায় কড়াইশুঁটি পড়বেই পড়বে। শুধু স্বাদ নয়, এর স্বাস্থ্যগুণও অনেক। কড়াইশুঁটিতে ভরপুর পরিমাণে রয়েছে প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট। এ ছাড়াও ভিটামিন, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ কড়াইশুঁটি শরীরের যত্ন নিতে দারুণ উপকারী। খেতে ভাল লাগলেও কড়াইশুঁটির খোসা ছাড়ানোর নাম শুনলেই যেন গায়ে জ্বর আসে। কড়াইশুঁটির খোসা ছাড়াতেই অনেকটা সময় বেরিয়ে যায়। ৫-১০ মিনিটেই প্রায় ৫ কেজি কড়াইশুঁটির খোসা ছাড়িয়ে ফেলা সম্ভব! ভাবছেন তো, কী করে?
১) কয়েক মিনিটের মধ্যে কড়াইশুঁটি সহজেই খোসা ছাড়িয়ে নিতে চাইলে গরম জল ব্যবহার করতে পারেন। একটি বড় পাত্রে জল গরম করে নিন। এ বার গ্যাস বন্ধ করে কড়াইশুঁটিগুলি জলে ফেলে দিন। তার পর পাত্রটি ২ মিনিট ঢেকে রাখুন। খুব বেশি ক্ষণ রাখবেন না যেন!
২) দু’মিনিট গরম জলে রাখার পরে সব কড়াইশুঁটি বরফ-ঠান্ডা জলে ফেলে দিন। তাপমাত্রার এই হঠাৎ পরিবর্তন কড়াইশুঁটির খোসাগুলিকে আলগা করে দেবে, যা কড়াইশুঁটির খোসা আলাদা করতে সাহায্য করবে।
৩) ঠান্ডা জল থেকে তুলে ফেলার পর কড়াইশুঁটির মাথার দিকটি কাঁচি দিয়ে কেটে দিন। এ বার পিছনের দিকে আলতো চাপ দিলেই কড়াইশুঁটিগুলি খুব সহজেই বেরিয়ে আসবে।