লুচি ভাজা তো শেষ! কিন্তু, কড়াইতে যে রয়ে গেল অনেকটা তেল। বাকি তেলটুকু তুলে রেখে অনেকেই তা দিয়ে পরে রান্না করেন। এ ভাবে রান্নায় নাকি বিপদ নিশ্চিত। ক্যানসার, অ্যালঝাইমার, হার্টের অসুখ— হতে পারে নানা মারণ রোগ। তবে কি করা যায়? আজকালকার দুর্মূল্যের বাজারে এত দামি তেল নষ্ট করাটাও তো সোজা কথা নয়! তবে উপায়? শরীর বাঁচিয়ে কী ভাবে ফের ব্যবহার করা যেতে পারে রান্নার তেল? তা জেনে নিন।
 

 

সঠিক রান্নার তেল বাছুন

সব ধরনের তেলেরই একটা স্মোকিং পয়েন্ট থাকে। মানে, যে তাপমাত্রায় তেলের উপাদানগুলি ‘ভেঙে’ যেতে থাকে। তা থেকে ধোঁয়া উঠতে থাকে। সোজা কথায়, তেল রান্না করার মতো গরম হয়। বাদাম তেল বা ভেজিটেবল তেলের স্মোকিং পয়েন্ট হাই থাকায় তা সহজেই ‘ভেঙে’ যায় না। ফলে, তা বার বার তা ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে অলিভ অয়েল ব্যবহার না করাই ভাল। এর স্মোকিং পয়েন্ট লো থাকায় তা বার বার ব্যবহার করা যায় না। তা ছাড়া, অলিভ অয়েলের তীব্র গন্ধের ফলেও ভাজাভুজিতেও সমস্যা হয়।

 

ব্যবহার করা তেল রাখুন ফ্রিজে

এক বার ব্যবহারের পর তেল ঠান্ডা করে তা এয়ারটাইট কন্টেনারে ভরে ফ্রিজে রাখুন।
 

গন্ধ শুঁকে আলাদা তেল ব্যবহার করুন

একই তেলে বার বার রান্না করলে তাতে আগের খাবারের গন্ধ থেকে যায়। সেদিকে খেয়াল রাখুন। পেঁয়াজি ভাজার পর সেই তেলে চিংড়ি মাছ ভাজলে তাতে পেঁয়াজের গন্ধ থেকে যেতে পারে।