ভাত হোক বা রুটি— দৈনন্দিন তরিতরকারির পাশাপাশি টক-ঝাল ধনে-পুদিনার চাটনি থাকলে, তা দিয়েই খাওয়া হয়ে যায়। আর কবাবের সঙ্গে সবুজ চাটনির জুড়ি তো ফাটাফাটি।
তবে ধনেপাতা-পুদিনার চাটনি দিয়ে দৈনন্দিন খাবারেও স্বাদ বাড়িয়ে তুলতে পারেন একবারে চুপিসারেই। না-বললে, কেউ বুঝতেই পারবে না, অথচ পাত ফাঁকা হয়ে যাবে। কোন রান্নায় কী ভাবে এটি ব্যবহার করবেন?
পনির পসিন্দা: সমান মাপের পনিরের টুকরো কেটে নিন একটু পাতলা করে। তাতে নুন-গোলমরিচ মাখিয়ে রাখুন। দু’টি পনিরের টুকরোর মাঝখানে একটু ঘন করে তৈরি সবুজ চাটনি ভরে দিন স্যান্ডউইচের মতো। তার পর সেটি গুলে রাখা বেসনে ডুবিয়ে ছাঁকা তেলে ভেজে ফেলুন।পনির পসিন্দার স্বাদ বদলে যাবে নিমেষেই।
মুসুর ডাল: মুসুর ডাল রান্নার সময় ২-৩ টেবিল চামচ ধনেপাতার চাটনি মিশিয়ে নিন। চেনা স্বাদেই কিন্তু বদল আসবে। একটু টক-ঝাল স্বাদে একঘেয়েমিও কাটবে।
আরও পড়ুন:
পনির থেকে আলুর দম: আলু কেটে নুন দিয়ে সেদ্ধ করে রাখুন। নিরামিষ আলুর দম বানান বা রসুন-পেঁয়াজ সহ, ৪-৫ টেবিল চামচ ঝাল ঝাল ধনেপাতার চাটনি যোগ করুন। পনিরের তরকারি হোক বা আলুর দম, রান্নাটি হবে গা মাখা। চাটনির স্বাদ-গন্ধ আলু বা পনিরে মিশলে দারুণ স্বাদ আসবে।
মাছ-মাংসে মাখান: চিকেন পকোড়া করুন বা ক্রিস্পি ফিশ ফ্রাই। মাংস বা মাছের টুকরোতে ধনেপাতা-পুদিনার ঘন চাটনি মাখিয়ে নিন। তার পর যে পদ্ধতিতে বাকি রান্নাটি করেন, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। চাটনির গুণেই স্বাদ-বদল হবে।
স্যুপ: ধনেপাতার চাটনিতে অনেকটা পরিমাণ গরম জল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। উপর থেকে মাখন ছড়িয়ে দিন। ধনেপাতার চাটনি কিন্তু শীতের দিনে টক-ঝাল গরম স্যুপ হতে পারে।
পোলাও: পোলাও রান্নার সময় চালের সঙ্গে রকমারি সব্জির পাশাপাশি ধনেপাতা-পুদিনার সবুজ চাটনি দিন। তার পরে মাপমতো জল দিয়ে ঝরঝরে করে চাল সেদ্ধ করে নিন। চাটনির স্বাদ চালের সঙ্গে মিশে সবুজ রঙা পোলাও তৈরি হবে।
ধনেপাতা-পুদিনার চাটনি বানাবেন কী ভাবে?
এক আঁটি টাটকা ধনেপাতা এবং আধ আঁটি পুদিনাপাতা ধুয়ে নিন। মিক্সারে কয়েক কোয়া রসুন, ১ টেবিল চামচ জল ঝরানো টক দই, ৫-৬টি কাঁচালঙ্কা, স্বাদমতো নুন, একটি পাতিলেবুর রস এবং সর্ষের তেল যোগ করুন।