আইসক্রিমকেও হার মানাবে। খেলে ঠান্ড লাগবে না, গলা ধরবে না কিন্তু মন ভরবে। আইসক্রিম খেলে গলা ধরে যায় যাঁদের, তাঁদের জন্য বিকল্প হতে পারে কিছু ফ্রোজ়েন মিষ্টি। স্বাদে খাসা, স্বাস্থ্যেও ভরপুর। বাড়ির খুদে সদস্যদেরও খাওয়াতে পারেন নিশ্চিন্তে। আইসক্রিমের মতো অত ক্যালোরি নেই, সিন্থেটিক রঙের বাহারও নেই। এমন মিষ্টি তৈরি হবে নানা রকম ফল, দই ও ঘরোয়া উপকরণে। রইল এমনই পাঁচ রকম ভিন্ন স্বাদের ফ্রোজ়েন মিষ্টির রেসিপি।
আমন্ড-ওট্স ফ্রোজ়েন বার
১ কাপ ঘন দই, আধ কাপ ভেজে নেওয়া ওট্স, ২ চামচের মতো কাঠবাদামের কুচি, ৩ চামচ গুড় বা মধু ও সামান্য এলাচ গুঁড়ো নিতে হবে। দইয়ের সঙ্গে মধু ও এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। একটি ট্রে-র উপর মিশ্রণটি ঢেলে দিন। উপর থেকে ওটস এবং কাঠবাদামের কুচি ছড়িয়ে দিন। ৪-৫ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। জমে শক্ত হয়ে গেলে ছোট ছোট চারকোনা বারের মতো করে কেটে নিন।
আনারস-দইয়ের ফ্রোজ়েন ডেজার্ট
১ কাপ আনারসের পিউরি, ১ কাপ জল ঝরানো দই, সামান্য পুদিনা পাতা কুচি নিয়ে নিতে হবে। আনারসের পিউরির সঙ্গে দই এবং পুদিনা পাতা মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। মিষ্টির জন্য এতে গুড় বা খেজুর বাট মেশতে পারেন। এ বার ছোট ছোট বাটি বা মোল্ডে মিশ্রণ ঢেলে তাতে কাঠি গুঁজে সারা রাত রেখে দিন। জমে গেলে সুন্দর আইসক্রিম হয়ে যাবে।
স্বাস্থ্যকর উপায়েও তৈরি করা যায় নানা স্বাদের ফ্রোজ়েন ডেজ়ার্ট। ছবি: ফ্রিপিক।
চিয়া পুডিং পপ
ফ্রোজ়েন মিষ্টির মধ্যে এটিও খেতে খুব ভাল। চিয়া বীজ এমনিতে খেতে পছন্দ করেন না যাঁরা, তাঁরা এ ভাবে খেয়ে দেখতে পারেন। ২ চামচ চিয়া বীজ, ১ কাপ নারকেলের দুধ বা গরুর দুধ, মধু ও সামান্য ভ্যানিলা এসেন্স নিতে হবে। দুধে চিয়া বীজ এবং মধু মিশিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এ বার সামান্য ভ্যানিলা এসেন্স ছড়িয়ে দিন। বীজগুলি ফুলে উঠলে মিশ্রণটি কুলফির ছাঁচে ঢেলে ফ্রিজে ৩-৪ ঘণ্টা রাখুন।
ফ্রোজ়েন বানানা বাইট
কলা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। দুটি টুকরোর মাঝে সামান্য পিনাট বাটার লাগিয়ে একটি স্যান্ডউইচ বানান। এ বার এটি গলানো ডার্ক চকোলেটে ডুবিয়ে ফ্রিজে ২ ঘণ্টা জমিয়ে নিন। এই মিষ্টি খেলে ক্যালোরি বাড়বে না।
ডার্ক চকোলেটের ফ্রোজেন ডেজার্ট
ডার্ক চকোলেট ও দই মিশিয়ে তাতে পেস্তা ও আখরোটের কুচি মিশিয়ে দিন। ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এ বার ছোট ছোট মোল্ডে ঢেলে ফ্রিজে রেখে দিন। জমে গেলে খুব সুন্দর চকোলেট মিষ্টি তৈরি হয়ে যাবে।