Advertisement
E-Paper

বাজারচলতি প্যাকেটজাত খাবার না কি ঘরোয়া খাবার, সারমেয়র জন্য কোনটি ভাল?

বাজারে কুকুরের জন্যই নানা রকম প্যাকেটজাত খাবার মেলে। সারমেয়কে শুধু সেই খাবারই কি খাওয়ানো উচিত, না কি বাড়ির টাটকা খাবারই বেশি ভাল?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:২৪
কুকুরের জন্য তৈরি প্যাকেটজাত খাবার না কি বাড়ির তৈরির খাবার, পোষ্যকে কোন খাবার খাওয়াবেন?

কুকুরের জন্য তৈরি প্যাকেটজাত খাবার না কি বাড়ির তৈরির খাবার, পোষ্যকে কোন খাবার খাওয়াবেন?

পোষ্যকে ভাল রাখতে হলে তার উপযুক্ত পুষ্টি জরুরি। পশুরোগ চিকিৎসকেরা বলেন, সারমেয়র খাবারে প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন এবং খনিজ থাকা দরকার, প্রয়োজন পুষ্টির সঠিক ভারসাম্য।

আর সেই কারণেই তৈরি হয়েছে নানা রকম প্যাকেটজাত খাবার, যা শুধু সারমেয়দের জন্যই। তা ছাড়া, এই ধরনের খাবার বেশিরভাগ কুকুরই খেতেও পছন্দ করে। পোষ্যকে ভাল রাখতে কি এমন খাবারই দেওয়া ভাল, না কি খাদ্যতালিকায় রাখা দরকার ঘরোয়া খাবারও?

বহু দিন হল ভারতেও জনপ্রিয় হয়েছে কুকুরের খাবার। প্যাকেটজাত এই শুকনো খাবারের স্বাদ-গন্ধ আকর্ষক সারমেয়দের কাছে, তারা এমন খাবার খেতে খুবই পছন্দ করে। এই ধরনের খাবার বাজারে আসায় সুবিধাও হয়েছে অনেকে। পোষ্যের জন্য আলাদা রান্নার ঝুঁকি নেই। বাইরে বেড়াতে গেলে শুকনো খাবার সঙ্গে নেওয়া সহজ। খেতেও ঝক্কি নেই। তবে কি এই খাবারই তাদের খাওয়ানো দরকার?

Advertisement

প্যাকেটজাত খাবার কতটা স্বাস্থ্যকর

প্যাকেটজাত সারমেয়র খাদ্য তাদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখেই তৈরি। প্রোটিন, খনিজ সমস্ত উপাদানই এতে মেলে বলে প্রস্তুকারক সংস্থাগুলির দাবি। তা ছাড়া এই ধরনের খাবার খেলে পোষ্যের মলের মাত্রা ঠিক থাকে, দাঁতও পরিষ্কার থাকে। বিশ্বের বহু দেশেই দীর্ঘ সময় ধরে এই জাতীয় খাবার খাইয়েই পোষ্যদের বড় করা হয়। তা ছাড়া, এমন খাবারে পুষ্টির ভারসাম্যও বজায় থাকে।

তা সত্ত্বেও এই ধরনের খাবারের কিছু খামতি থাকে। প্রথমত, এই খাবার প্রক্রিয়াজাত, ফলে তা কী ভাবে তৈরি হচ্ছে তা জানা জরুরি। দ্বিতীয়ত, এই ধরনের খাবার মূলত শুকনো তাই পোষ্য ঠিকমতো জল না খেলে জলের অভাব দেখা দিতে পারে। দিনের পর দিন একই রকম খাবার খেতে খেতে পোষ্যের একঘেয়ে লাগতে পারে।

ঘরোয়া খাবারের সুবিধা-অসুবিধা

ঘরোয়া খাবারের সুবিধা হল টাটকা মাছ, মাংস ব্যবহার করতে পারেন বাড়ির লোক। পোষ্যের জন্য কোনটি ভাল তা বুঝে রান্না করা যায়। পাতলা খাবারে সারমেয়র জলের ঘাটতি দূর হয়। বাড়ির তৈরি রান্না করা খাবার পোষ্য সহজে হজম করতে পারে। তবে এই খাবার খেলেও পুষ্টির ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। শুধু মাংস বা মাছ খেলে ঘাটতি হতে পারে ভিটামিন—নিজের। তা ছাড়া তেল, মশলা, নুন, চিনি— এই সব কিছু পোষ্য বান্ধব নয়। তাদের খাবার রাঁধতে হয় তেল, হলুদ, নুন এবং চিনি ছাড়া। মূলত সেদ্ধ করে দেওয়া হয়। মাছ, মাংসের সঙ্গে রুটি, সব্জি দিলেও ফ্যাট, ভিটামিন-খনিজের চাহিদা পূরণ হয়।

কোনটি ভাল, কোনটি খারাপ সেই পথে না গিয়ে বরং পোষ্যকে সুবিধা মতো খাবার খাওয়ানো যেতে পারে। বাইরে কোথাও গেলে কুকুরের জন্য প্যাকেটজাত খাবার বেছে নিতে পারেন। বাড়িতেও শুধু এক ধরনের খাবার না খাইয়ে দু’বেলা দুই ধরনের খাবার দেওয়া যায়। তবে সারমেয়র প্রজাতি, শরীরে উপর খাদ্যাভ্যাস নির্ভর করে। সবচেয়ে ভাল হয়, এই ব্যাপারে পশুরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে। কারণ, খেতে দিলেই হল না, তার পরিমাপও জরুরি। না হলে পোষ্যের ওজন যেমন বেড়ে যেতে পারে, তেমনই প্রয়োজনীয় ভিটামিন-খনিজের অভাবও হতে পারে।

Pet Care Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy