Advertisement
E-Paper

মা হওয়ার পর কর্মক্ষেত্রে যোগ দিয়ে কতটা অনুতাপ হয়েছিল ইয়ামির? কী ভাবে সামলান পরিস্থিতি?

অফিসের কাজ সামলাতে গিয়ে সন্তানের অনেক ছোট ছোট মাইলফলক, যেমন প্রথম কথা বলতে শেখা, প্রথম বার হাঁটতে শেখার মতো বিষয়গুলির সাক্ষী হতে পারেন না কর্মরত মায়েরা। বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমও এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:১৩
সন্তানকে রেখে কাজে যাওয়া কতটা কঠিন ছিল ইয়ামির জন্য?

সন্তানকে রেখে কাজে যাওয়া কতটা কঠিন ছিল ইয়ামির জন্য? ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর আবার নতুন করে কাজে ফেরাটা নতুন মায়েদের কাছে খুব সহজ বিষয় নয়। কর্মক্ষেত্রে ডেডলাইনে কাজ শেষ করার চাপ আর অন্য দিকে দুধের শিশুকে বাড়িতে রেখে আসার যন্ত্রণা— মানসিক ভাবে এক অদ্ভুত টানাপড়েন চলতে থাকে মায়েদের মনে। অফিসের কাজ সামলাতে গিয়ে সন্তানের অনেক ছোট ছোট মাইলফলক, যেমন প্রথম কথা বলতে শেখা, প্রথম বার হাঁটতে শেখার মতো বিষয়গুলির সাক্ষী হতে পারেন না কর্মরত মায়েরা। কেবল সাধারণ মায়েরাই নন, বলিউড অভিনেত্রীরাও কিন্তু এই সমস্যার সম্মুখীন হন। সম্প্রতি এ নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম। মা হওয়ার পর শুটিংয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ইয়ামি অভিনীত ছবি ‘হক’। এই ছবির শুটিংয়ের সময় ছেলেকে শুটিং লোকেশনে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার কথাই প্রথমে ভেবেছিলেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘‘আমার স্বামী আদিত্য আমায় বলে, 'আগে তুমি লোকেশনে গিয়ে দেখো আদৌ জায়গাটি ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরাপদ হবে কি না।' আমি বিমানে করে লোকেশনে পৌঁছোই এবং জানতে পারি, শুটিংয়ের লোকেশন হোটেল থেকে প্রায় দু’ঘণ্টা দূরত্বে, তা-ও একেবারে প্রত্যন্ত এলাকায়। ছোট শিশুকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার মতো ছিল না সেই অঞ্চলটি।’’

ছেলের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য ইয়ামি পরিচালকের কাছে সপ্তাহের একটা দিন ছুটি চেয়ে নিয়েছিলেন। অভিনেত্রী বলেন, ‘‘সপ্তাহের শুটিং শেষ করে আমি একেবারে পরের দিন ভোরবেলার বিমানে চড়তাম, এর জন্য আমায় ভোর ৫টায় উঠতে হত। তার পর আবার পরের দিন বিমানে করে সরাসরি শুটিং লোকেশনেই চলে যেতাম।’’

অজস্র অনুতাপের নুড়িপাথরে বার বার ধাক্কা খেতে খেতে চলতে থাকে বহু কর্মরত মায়ের জীবন। ব্যাহত হয় তাঁদের জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ। আবার বিপরীত উদ্বেগেও থমকে যান অনেকে। ‘সন্তানের যত্নে কেরিয়ারে পিছিয়ে পড়ছি না তো?’ এই প্রশ্ন থেকে হতাশাও দেখা দিতে থাকে অনেকের মনে। তবে এই অপরাধবোধ আদতে সময় নষ্টেরই নামান্তর। এমনটা চলতে দিলে অবসাদ গ্রাস করতে পারে, নিজের জীবনের মান ক্ষুণ্ণ হতে পারে, তখন আখেরে সন্তানেরই ক্ষতি। অতএব আপনার চারপাশে এই পাপবোধের আঁধার গাঢ় হতে না দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

অফিস, বাড়ি, সম্পর্ক, সর্বোপরি মাতৃত্ব, এত কিছু একা সামলাতে গিয়ে সবটা বিগড়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে অনেক সময়েই ত্রুটি থেকে যেতে পারে। তাই সাহায্য চেয়ে নিতে ভুলবেন না। প্রয়োজনে মা-বাবা দু’জনে সন্তানের দায়িত্ব ভাগ করে নিন। কুণ্ঠা সরিয়ে, সহমর্মী মানুষদের কাছে সাহায্য চান। ঠাকুরমা-দিদিমা থাকলে তাঁদেরও কিছু দায়িত্ব দিতে পারেন। তবে সন্তানপালনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে আপনাকে জুড়ে থাকতে হবে।

Parenting Tips Mindful Parenting Parenting Challenge
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy