ব্ল্যাকহেডস! এমন এক সমস্যা যা মেক আপেও ঢাকা যায় না। স্যালোঁ বা পার্লারে নিয়মমাফিক পরিচর্যার পর আবারও মাথাচাড়া দেয় এই সমস্যা। সারা মাসের উপদ্রবকে নিশ্চিন্তে সরাতে তাই কেবলই পার্লারের উপর ভরসা রাখা যাবে না। বরং ব্ল্যাকহেডসকে জব্দ করতে বাড়িতেই ব্যবস্থা রাখতে পারলে ভাল হয়।

কেবল কালো ছোপে ত্বক খারাপ দেখায় তা-ই নয়, ব্ল্যাকহেডস জমতে জমতে ত্বকে স্থায়ী কালো দাগ তৈরি হয়ে যেতে পারে ত্বকে। যত বেশি ব্ল্যাকহেডস জমবে ততই ত্বক রুক্ষ হবে ও টান ধরবে।

কোন কোন উপাদানে ভর দিয়ে এই ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন জানেন? সপ্তাহে দিন কয়েক ঘরোয়া নিয়মে নেওয়া যত্নেই সরাতে পারেন এটি। দেখে নিন কী কী উপায়ে তা সম্ভব।

আরও পড়ুন: একটু অনিয়মেই মেদ বাড়ছে? এই উপায়ে মোটা হওয়ার ভয় কমে, টক্সিন দূরে থাকে

 

অ্যালোভেরা জেল:  ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করতে ও ত্বককে রুক্ষ হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে বিশেষ কাজে আসে অ্যালোভেরা। বাজারচলতি অ্যালোভেরায় ভরসা রাখতে না চাইলে বাড়িতেই অ্যালোভেরার গাছ লাগাতে পারেন। এর জেল মুখে বা ত্বকে মাখলে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা অনেকটাই কম থাকবে।

গ্রিন টি: অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর এই উপাদান ত্বকের পক্ষেও খুব উপকারী। জলে গ্রিন টি মিশিয়ে সই চা দিয়ে মুখ দুয়ে নিন প্রতি দিন ঘুমনোর আগে। ত্বকে বলিরেখা কমবে, সঙ্গে দূর হবে ব্ল্যাকহেডস।

আরও পড়ুন: জল-কাদায় পা নোংরার ভয় নেই, এ বার বর্ষায় নকশাদার গামবুটস ফ্যাশনে ‘ইন’!

অ্যালো ভেরা জেল ব্ল্যাকহেডসের সমস্যায় বড় দাওয়াই।

ডিম: তৈলাক্ত ত্বকে ময়লা আটকে থাকে সহজে। তাই ব্ল্যাকহেডসের সমস্যাও এই ধরনের ত্বকে বেশি হয়। ডিমের সাদা অংশ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ব্ল্যাকহেডসের জায়গায় মাখিয়ে রাখলে সমস্যা কমবে।

টম্যাটো: প্রাকৃতিক ট্যান নিরোধক হিসেবে টম্যাটোর নামযশ আছে। প্রতি দিন রোদ থেকে ফিরে এক টুকরো টম্যাটো  বল্যাকহেডসের জায়গায় ঘষুন। রোদের ট্যান যেমন কমবে, তেমনই কালচে দাগও সহজেই দূর হবে।