প্রাতরাশে যেমন রুটি তরকারি বা ডিম টোস্ট খাওয়ার চল কোথাও, কোথাও আবার জনপ্রিয় ইডলি, দোসা। বাংলা হোক বা দক্ষিণ ভারত— বহু রাজ্যেই জলখাবারে চিঁড়ের পোলাও-ও থাকে। কিন্তু এই চিঁড়ের পোলাও কি সকালের জলখাবারের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার?
খুব বেশি তেল দিয়ে এই রান্না হয় না। ব্যবহার হয় চিঁড়ে। ঘরোয়া খাবার ক্ষতির কিছু নেই। তবে জনপ্রিয় রন্ধনশিল্পী সঞ্জীব কপূরের কথায়, চিঁড়ের পোলাকে স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশের তালিকায় ফেলা যায় না। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে রন্ধনশিল্পী জানান, যে কারণে চাল-জাত চিঁঁড়েকে ঠিক স্বাস্থ্যকর খাবারের তকমা দেওয়া যায় না।
আরও পড়ুন:
সাধারণত, কারিপাতা, সর্ষে, শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে চিঁড়ের পোলাও রান্না হয়। ইনদওরের মতো জায়গায় চিঁড়ের পোলাও আর জিলিপির যুগলবন্দি বিখ্যাত। কোথাও কোথাও চিঁড়ের পোলাওয়ের উপরে পাতিলেবুর রস ছড়িয়ে, ঝুরিভাজা দিয়েও খাওয়া হয়।
কোথাও আবার নানা রকম সব্জিও এতে জোড়া হয়। থাকে বাদামও। রন্ধনশিল্পীর কথায়, চিঁড়ের পোলাও কতটা স্বাস্থ্যসম্মত হবে, তা নির্ভর করে রান্নার কৌশল এবং উপকরণের উপর। এই খাবারে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা বেশি, প্রোটিন থাকে কম।
কী ভাবে চিঁড়ের পোলাওয়ে প্রোটিনের মাত্রা বৃদ্ধি করা যায়?
· চিঁড়ের পোলাও রান্নার সময় রকমারি সব্জির সঙ্গে মিশিয়ে দিন একমুঠো সেদ্ধ অঙ্কুরিত মুগ, বাদাম বা ছোলা। এগুলিতে যথেষ্ট মাত্রায় প্রোটিন মেলে।
· পনিরের টুকরোও ছোট ছোট করে মিশিয়ে দেওয়া যায় প্রোটিনের চাহিদা পূরণে।
· আমিষে আপত্তি না থাকলে ডিমসেদ্ধ টুকরো করে চিঁড়ের পোলাও রান্নার সময় মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে।
· টোফু, সয়াবিন, ভুট্টার দানা, সেদ্ধ কাবলি ছোলাও প্রোটিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে পারে।