নতুন বছরের একে-অপরকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানোর রেওয়াজ তো আছেই। সময়ের সঙ্গে বদলেছে সেই বার্তার ভাষা। মেজাজ। ধরন। লেখা দেখলে বোঝা যায় কোন বয়সের মানুষ, কাকে পাঠাচ্ছেন সেটি। হঠাৎ করোনা এসে কি বদলে দিল সবটা? নানা বয়স, বিভিন্ন রুচির মানুষের কাছ থেকে কি ঘুরেফিরে আসছে একই ধরনের বার্তা? মুঠোফোনের বাক্সে জমে থাকা সব বার্তা কী বলছে?
ফিরে গিয়ে দেখে নেওয়া যাক সকাল থেকে জমতে থাকা পরিচিতদের বার্তাগুলো। বয়সে ছোট-বড় নির্বিশেষে বার্তা-বাক্সের রূপটা যেন একই। করোনার মাঝে নতুন বছরে যেন থাকা যায় সুরক্ষিত। কোনওটার ভাষায় সুরক্ষার কথা এসেছে আগে। কোনওটায় বা পরে। এই যা ফারাক।
তবু যাঁরা আনতে চাইলেন বৈচিত্র্য, কী লিখলেন তাঁরা? রইল তেমনই কয়েকটি নববর্ষের বার্তা—
- কষা মাংসের ‘স্বাদ-গন্ধ’ উপভোগ করার মতো সুস্থ থাকুন বছরভর
- করোনার ওপারে আবার বসবে বছর শুরুর আড্ডা
- ১৪২৮-এ আর নয়া ভাইরাস নয়, আনন্দ চাই
- বর্ষবরণের পোলাওয়ের টানে ঘরে যেন আবার না চলে আসে ভাইরাসও