একসঙ্গে ভোট করানোর চাপ দিয়ে লোকসভার সঙ্গেই দশ-এগারোটি রাজ্যের বিধানসভা ভোট করিয়ে নেওয়ার ছক কষছেন নরেন্দ্র মোদী। তবে আজ বৃহত্তম বিরোধী দল কংগ্রেসও লোকসভা ও বিধানসভা ভোট একসঙ্গে করানোর প্রস্তাব সটান খারিজ করে দিল।

একসঙ্গে ভোট নিয়ে গত সপ্তাহে আইন কমিশনের বৈঠকে যায়নি রাহুল গাঁধীর দল। তবে ওই বৈঠকে এনডিএ শরিক অকালি দল-সহ এডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি ও টিআরএস ওই প্রস্তাবকে সমর্থন করলেও অন্তত ৯টি দল তার বিরোধিতা করেছে। আজ দিল্লিতে কংগ্রেসও জানায়, এই প্রস্তাব শুনতে ভাল, কিন্তু অবাস্তব।

কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির বক্তব্য, দেড় দশক একসঙ্গে ভোট হয়েছে এ দেশে। পরে জনতার ইচ্ছেতেই সেই প্রথা ভেঙেছে। এটি সম্ভব নয় বলেই সংবিধান প্রণেতারা একসঙ্গে সব ভোট বাধ্যতামূলক করেননি। এই ব্যবস্থা বদলাতে সংবিধানে দশটি সংশোধন জরুরি। তাঁর প্রশ্ন, কোথাও অনাস্থা প্রস্তাবে সরকার পড়ে গেলে কি ফের ভোটের বদলে দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি রাখা হবে? বিরোধীরা মনে করছে, চলতি বছর ও পরের বছরে যে ক’টি রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাদের ভোটও লোকসভার সঙ্গে করিয়ে নিতে চাইছেন মোদী। নবীন পট্টনায়ক, জগন্মোহন রেড্ডি তাতে সায় দিয়েছেন। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ়, মিজোরাম, অন্ধ্র, তেলঙ্গানা, ওড়িশা, অরুণাচল, সিকিম, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডে লোকসভার সঙ্গে ভোট চান মোদী।