• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

সাংসদের বয়স বাড়ে না! রাজস্থানের সোনারাম পাঁচ বছর পরেও ৭৩-এ দাঁড়িয়ে

sonaram
বিজেপি সাংসদ সোনারাম চৌধরি।

তাঁর বয়স না কি বাড়ে না! ২০১৪-তেও যা ছিল ২০১৮-তেও তাই আছে। সে সময় তিনি ছিলেন ৭৩, এখনও বয়স দাঁড়িয়ে সেই ৭৩-এই!

তিনি অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল সোনারাম চৌধরি। রাজস্থানের জয়সলমের-বাড়মের লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ। ছিলেন কংগ্রেসে। গত লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি-তে নাম লেখান। জয়সলমের-বাড়মের কেন্দ্র থেকে জিতেওছেন।

রাজস্থানে সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। দলের টিকিটে এ বারও লড়াইয়ে নামছেন সোনারাম। বেশ ‘ঢাক-ঢোল’ পিটিয়ে গত ১৯ নভেম্বর মনোনয়নও জমা দিতে গিয়েছিলেন। বাড়মের বিধানসভা থেকে এ বার লড়ছেন সোনারাম।

মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও নিয়ে গিয়েছিলেন সঙ্গে। এক এক করে কাগজপত্রগুলো এগিয়ে দেন অফিসারের দিকে। যা যা নিয়ম তা-ই করলেন। কিন্তু বয়সের জন্য রাখা ফাঁকা জয়াগাটা যখন পূরণ করলেন, তখন এই সাংসদ সংখ্যাটা লেখেন ৭৩! বয়সের এই একই সংখ্যা না কি তিনি লিখেছিলেন ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ২০১৪-য় তাঁর দেওয়া তথ্যে জ্বলজ্বল করছে সেই বয়সটা। খবরটা প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো হাসি-মশকরা শুরু হয়ে গিয়েছে আমজনতা থেকে রাজনৈতিক মহলে। কেউ কেউ ঠাট্টা করেও বলেছেন, সাংসদের বয়সের কাঁটা দাঁড়িয়ে গিয়েছে। ও আর এগোবে না!

মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন সোনারাম চৌধরি। ছবি সৌজন্য টুইটার।

আরও পড়ুন: রাজস্থান বিজেপিতে অবাধ্যতার হিড়িক! বহিষ্কৃত চার মন্ত্রী-সহ ১১ জন

সোনারামের তাতে অবশ্য কিছু যায়-আসেনি। ভ্রূক্ষেপও নেই বিষয়টি নিয়ে। তিনি এলেন, মনোনয়ন জমা দিলেন, আবার চলেও গেলেন। এই প্রথম নয়, বয়স নিয়ে আগেও গণ্ডগোল করেছেন সোনারাম।

২০০৮ এবং ২০১৩-য় বাইটু বিধানসভা ক্ষেত্র থেকে এর আগেও নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। ২০০৮-এ জিতলেনও, ২০১৩-য় হেরে যান তিনি। ২০০৮-এর নির্বাচনে যে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন সোনারাম, সেখানে বয়স উল্লেখ করেছিলেন ৬৫। ২০১৩-র নির্বাচনে যখন মনোনয়ন জমা দেন, তখন বয়স উল্লেখ করেন ৭২। হিসেব অনুযায়ী যা ৭০ হওয়ার কথা। এ বার ২০১৮-র নির্বাচন। সেখানে পাঁচ বছর পরে তাঁর বয়স বেড়েছে মাত্র এক বছর!

আরও পড়ুন: পাঁচ বছরে ঢেলেছেন ১৮৫ কোটি! তবু কেশপুর-গড়বেতার ছায়া মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্রে

বয়স নিয়ে সোনারাম চৌধরিকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনিকোনও মন্তব্যই করতে চাননি।বাড়মের জেলা বিজেপির সভাপতি দিলীপ প্লাইওয়ালও প্রসঙ্গটি সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বলেন, “আমি সোনারামের নথিপত্র দেখিনি। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না।”

 

(ভোটের খবর, জোটের খবর, নোটের খবর, লুটের খবর- দেশে যা ঘটছে তার সেরা বাছাই পেতে নজর রাখুন আমাদেরদেশবিভাগে।)

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন