অদ্ভুত, অভিনব এক উদ্যোগ নিলেন ছত্তীসগঢ়ের একটি গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরা অর্থ সংগ্রহ শুরু করেছেন, গঙ্গারামের নামে মন্দির তৈরির করার জন্য। ভাবছেন এতে আর অদ্ভুতের কী আছে? ভাল কোনও লোকের জন্য মন্দির তৈরির উদাহরণ তো রয়েইছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে অদ্ভুত বিষয়টি হল, এই গঙ্গারাম কোনও মানুষ নন, ইনি হলেন ‘ভাল কুমির’। এই বছর জানুয়ারিতে মারা যায় গঙ্গারাম কুমির।

গ্রামেরই এক পুকুরে বাস করত গঙ্গারাম। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১৩০ বছর বয়স হয়েছিল গঙ্গারামের। গত ৮ জানুয়ারি মৃত্যু হয় তার। সেই পুকুরের পাশেই তাকে কবর দেওয়া হয়েছে। আর সেই জায়গাতেই তার নামে, ‘গঙ্গারাম মগরমাছ কা মন্দির’ তৈরির জন্য চাঁদা তুলছেন ছত্তীসগঢ়ের বাওয়ামোহাত্রা গ্রামের বাসিন্দারা।

গঙ্গারামের মৃত্যুর পর তার দেহ নিয়ে যেতে চেয়েছিল বন দফতর। কিন্তু গ্রামবাসীরা দাবি করেন, তাঁরাই গঙ্গারামের অন্তেষ্টিক্রিয়া করবেন। বন দফতর ও গ্রামবাসীদের এই টানাপড়েন চলে বেশ কিছু ক্ষণ। শেষে গ্রামবাসীদের দাবি মেনে নেয় বন দফতর। দাবি মেনে গ্রামেই পুকুরের ধারে গঙ্গারামকে সমাধিস্থ করা হয়।

আরও পড়ুন : ভেবেছিলেন কানে ঢুকেছে জল, বেরিয়ে এল বিষাক্ত বাদামি মাকড়সা

আরও পড়ুন : ‘হিরো’ কাকের আচরণ দেখে শেখা উচিত মানুষের!

আরও পড়ুন  : ফিদেল কাস্ত্রোর দেওয়া কুমিরের আক্রমণের মুখে এক ব্যক্তি

গ্রামবাসীদের বিশ্বাস ছিল, এই গঙ্গারাম কুমির গ্রামের ক্ষেত্রে শুভ ছিল। কারও কোনও দিন ক্ষতি করেনি। তাই সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেন গঙ্গারামের নামে মন্দির তৈরি করা হবে। আর সেই মন্দিরে থাকবে দেবী নর্মদার মূর্তিও। যে দিন মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে, সে দিন একটি উত্সব ও প্রীতি ভোজের আয়োজন করা হবে।