Advertisement
০৩ মার্চ ২০২৪
Serial Novel

শূন্যের ভিতর ঢেউ

প্রথম পুরস্কার উঠেছে এক্স জেড ৪৫৩৯৩ নম্বরে। তার টিকিটের নম্বর ৪৫৩৯৪। পাঁচটি সিরিজ়ের টিকিট কিনেছিল। মাত্র একটা সংখ্যার হেরফেরে তার কোটিপতি হওয়া হল না।

ছবি: প্রসেনজিৎ নাথ

ছবি: প্রসেনজিৎ নাথ

সুমন মহান্তি
শেষ আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৬:০৮
Share: Save:

আফসোসে মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে অভ্রর। আজ সকালে এক গোছা টিকিট কিনেছিল সে। মাঝেমধ্যে ভাগ্য পরীক্ষার অভ্যেস থাকা ভাল। সুকাম ডেলি লটারির একটা ড্র ছিল দুপুর বারোটায়।

প্রথম পুরস্কার উঠেছে এক্স জেড ৪৫৩৯৩ নম্বরে। তার টিকিটের নম্বর ৪৫৩৯৪। পাঁচটি সিরিজ়ের টিকিট কিনেছিল। মাত্র একটা সংখ্যার হেরফেরে তার কোটিপতি হওয়া হল না। এ বারও ভাগ্য মুচকি হেসে তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল। রাগে-দুঃখে সে কিছু ক্ষণ ঝিম মেরে থাকল।

সুপ্রীতিকে সে বলল, “সারা জীবন অনেক ঠাকুর-ঠাকুর করলে, পুজো করলে, বাতাসা-নকুলদানা-ধূপ দিলে। তা ঠাকুর কোন ভালটা করল এই সংসারের? বাবা বাষট্টি বছরে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে চলে গেল। ছেলে উদ্‌ভ্রান্ত বেকার, নিজে নিউরো-পেশেন্ট। তোমার সাধের ঠাকুরেরা কি শুধুই পুতুল? তার বেশি কিছু নয়?”

সুপ্রীতি মাথা নেড়ে বিড়বিড় করলেন, “আমার গোপাল খেয়েছে?”

“স্নান করে বাতাসা দিয়েছি। ও নিয়ে ভাবতে হবে না তোমাকে। নকুলদানা-বাতাসা প্রতিদিন খেলে গোপালের শুগার হবে।”

“তুই আমার গোপাল।”

“ধুত্তোরি। বলছি, এটা কি ঠিক হল? এই ভাবে লোভ দেখিয়ে কেড়ে নেওয়া অন্যায় হল। এক কোটি ট্যাক্স কেটেছেঁটে সত্তর লাখ হত। পঞ্চাশ লাখ টাকা দিয়ে সবচেয়ে নামী ওষুধ কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটরশিপ নিতাম। ও লাইনে উন্নতি করতাম, বুঝেছ? তোমার গোপাল সেলফ-এমপ্লয়েড হত।”

“তুই কী বলছিস কিছুই বুঝতে পারছি না,” সুপ্রীতি বিস্মিতচোখে তাকালেন।

অভ্র দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “লটারির টিকিট কেটেছিলাম। মাত্র একটা নম্বরের গোলমালে কোটিপতি হতে পারলাম না। তোমাকে বলে লাভ নেই জানি। মন হালকা হয়, তাই বলি। বে-রোজগেরে যুবকের পাশে বসার, কথা শোনার কেউ তো থাকে না। যা বলছিলাম, বাকি পনেরো লাখ দিয়ে এই নোনা-ধরা জরাজীর্ণ বাড়িটা নতুন করতাম। রিনোভেশন। তা হলে হাতে কত থাকল? পাঁচ লাখ। ওই টাকায় কেরল-রাজস্থান-কাশ্মীর-আন্দামান-সিকিম টুর করতাম। কত বছর কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় না। ভাল ভাবে বেঁচে থাকতে গেলে টাকা লাগে। বুঝেছ মা?”

সুপ্রীতি ঘাড় নেড়ে বললেন, “তোর সব হবে। ধৈর্য রাখ। ঠাকুর তোর পরীক্ষা নিচ্ছেন। তোর দিকে এ বার মুখ তুলে তাকাবেন। দেখে নিস।”

অভ্র শ্বাস ঘন করে বলল, “ওই আশাতেই থাকো। সুদিনের জাদুকর আসবে এই স্বপ্ন দেখতে দেখতেই চৌত্রিশটা বসন্ত কেটে গেল।”

বিকেল পাঁচটা বাজতেই ছটফটানি টের পেল অভ্র। একটুর জন্য কোটি টাকা না পাওয়ার দুঃখটা প্রবল ভাবে জাঁকিয়ে বসেছে মনে। অক্ষম রাগে হাতের সামনে থাকা জিনিসপত্র ছুড়ে ভেঙে ফেলতে ইচ্ছে করছে। রাগ-ক্ষোভ হালকা করতেই উদয়পল্লি ছুটল সে। পোড়া কপালের পরীক্ষা আর এক বার হয়েই যাক।

অশ্বত্থতলায় হাব্বাডাব্বার আসর বসেছে। এখানে এলে কেমন এক সাম্যের গন্ধ পায় সে। দিনমজুর থেকে চাকুরিজীবী, অটোওয়ালা থেকে কন্ট্রাক্টর, আনাজবিক্রেতা থেকে বড় ব্যবসায়ী, সবাই ভিড় করে এই আসরে। বৃষ্টির আশঙ্কায় মাথার উপরে ত্রিপল খাটানো হয়েছে। খেলাটা চালায় রানা, তার তিন স্যাঙাত পুরো খেলাটা দেখভাল করে। স্যাঙাতদের শকুনির চোখ, তাদের নজর এড়িয়ে কেউ চোট্টামি করার সুযোগ পায় না, কে কোন ঘরে কত টাকা রাখছে, কে কত পাবে, তা নিখুঁত ভাবে খেয়াল করতে পারে।

শিরীষ গাছের নীচে টেকনোকে দেখে সে অবাক হল। গায়ে নোংরা একটা টি-শার্ট, পায়ে ধুলোময় হাওয়াই চপ্পল। ডান হাত কোমরে রেখে বাঁ হাতে বিড়ি ফুঁকছে। কাছ থেকে ওকে এই প্রথম ভাল ভাবে খুঁটিয়ে দেখল অভ্র। বয়স ষাটের আশপাশে হবে। এখানে এই আইটেম কী জন্য এসেছে?

তাকে দেখে ডান হাত তুলে ডাকল টেকনো।

কাছে যেতেই টেকনো একগাল হেসে বলল, “ঠিক চিনেছি। নির্মলের দোকানে রোজ দেখি। এখানে খেলতে এসেছেন?”

“হ্যাঁ।”

“বেশ, বেশ। আমি এখানে মাঝেমধ্যে মজা দেখতে আসি। টাকা ওড়া দেখতে বেশ লাগে। সব হারামে বড়লোক হতে চায়। যে মালগুলো সব খুইয়ে ফেরে তাদের দেখে বড় আমোদ হয়।”

অভ্র বলল, “আমি বড়লোক হতে আসি না।”

টেকনোর মুখে বাঁকা হাসি, “তা হলে কি মরতে আসেন? আমি রাতের পর রাত হাইরোডে দশচাকার গাড়ি চালিয়েছি। কখনও মদ ছুঁইনি, মেয়েমানুষ ঘাঁটিনি। তবু পৈতৃক বাড়িটা ভাই ঠকিয়ে দখল করে নিল। আইনি লড়াই করার সামর্থ্য ছিল না। এখন ভাই দু’বেলা খেতে দেয়, হাতে পঞ্চাশ টাকা রোজ ধরিয়ে দেয়, বাইরের বারান্দায় রাতে ঘুমোই। ভাইয়ের তবু বড় অভাব। জমি কিনছে আর বেচছে। দিনরাত ছুটছে। দূর, আপনাকে এ সব বলছি কেন? যান, একটা কিছু হবেই। মরবেন, না হলে মারবেন।”

টেকনোর কাছ থেকে চলে এসে উঁকি দিল অভ্র। বেডশিটের মতো বড় এক কাপড়ে ছ’টি ঘর করা হয়েছে। এক নম্বর ঘরে রয়েছে চিড়িয়া, দু’নম্বরে মানুষের মুন্ডুর ছবি, তিন নম্বরে কালাপান, ইট চার নম্বরে, পাঁচ নম্বরে একটি পতাকার ছবি আছে। ছ’নম্বর ঘরে রয়েছে লালপান। একটি বেতের ঝুড়িতে বড় বড় ছ’টি গুটি রেখে ঝাঁকিয়ে সেটি উপুড় করে ঢেকে দেওয়া হল। এক-একটা গুটি লুডোর গুটির চেয়ে কমপক্ষে চার গুণ বড়, সংখ্যার বদলে ছ’টি ঘরে রাখা চিহ্ন আছে সেখানে।

অভ্র একশো টাকা রাখল লাল পানপাতার ঘরে।

ঝুড়ি তুলে নিতেই দেখা গেল তিনটি গুটি পানপাতা পড়েছে। তিনশো টাকা পেয়ে গেল অভ্র। একশো টাকা ফেরতও পেয়ে গেল সে। আরও তিন রাউন্ড খেলা হলেও অভ্র অংশ না নিয়ে স্রেফ দর্শক হয়ে বসে রইল। রানা ও তার স্যাঙাতদের লাভ বেশি হচ্ছে, বাজি রাখা লোকজন মুখ চুন করে উঠে পড়ছে। সিগারেট শেষ করে পরের রাউন্ডে পতাকার ঘরে চারশো টাকা রাখল অভ্র ।

ঝুড়ি তুলে নিতে দেখা গেল চারটি গুটি পতাকা পড়েছে। ষোলোশো টাকা পকেটে পুরে খেলা থেকে বিরতি নিল অভ্র। কুড়ি টাকার ফুচকা খেল। আহা, দারুণ সুস্বাদু করেছে, প্রাণ ভরে গেল। এই সময় তার মনোযোগে ব্যাঘাত করার সুযোগ কারও নেই। মোবাইল সে অফ করে রেখেছে।

আরও দু’রাউন্ড দেখে মনে মনে কৌশল ঠিক করে নিল অভ্র। জীবনের কোনও ক্ষেত্রেই তার কৌশল খাটে না, তবু এক বার ঝুঁকি নিয়ে দেখাই যাক। পরের রাউন্ডে অভ্র কাপড়-কাম-বোর্ডের সামনে বাবুভঙ্গিতে বসল। ঝুড়ির মধ্যে গুটি রেখে ঝাঁকিয়ে উপুড় করে ঢেকে রাখল রানা। এই রাউন্ডে ষোলোশো টাকাই সে চিড়িয়ার ঘরে রাখল অভ্র। শূন্য হয়ে গেলেও তার দুঃখ হবে না, কোটি টাকা হারানোর তুলনায় ষোলোশো টাকা হারানো তার কাছে নস্যি। এই রাউন্ড গ্র্যান্ড রাউন্ড, আজকের শেষ রাউন্ড, কয়েক গুণ টাকা পাওয়ার আশায় সবাই পাঁচশো থেকে হাজারের মধ্যে টাকা খেলছে। চিড়িয়ার ঘরে আর এক জনই সাতশো টাকা রেখেছে।

অভ্র মহানন্দে দেখল তিনটি গুটি চিড়িয়া দেখাচ্ছে। জয়ের হাসিতে সে হাত বাড়াল। একটা গুটি পড়লে দু’গুণ, দুটো পড়লে চার গুণ পাওয়ার কথা। স্যাঙাত তাকে আট হাজার টাকা গুনে দিল। তার তিনটি পড়েছে, অতএব এই রাউন্ডে খেলার নিয়ম মেনে সে পাঁচগুণ পাচ্ছে। পকেটে খেলার জন্য একশো টাকা নিয়ে এসেছিল, আট হাজার টাকায় পকেট গরম করে সে ফিরল। রানা ও তার চেলাদের এর পরেও যথেষ্ট লাভ থাকবে, আজ এত রাউন্ড খেলায় সে ছাড়া কেউ সে ভাবে জেতেনি। দু’-তিনশো টাকার বেশি কম জনই পেয়েছে।

টেকনো বলল, “খুব লুটে নিলেন দেখলাম।”

অভ্র পকেট থেকে একটা পাঁচশো টাকার নোট বার করে বাড়িয়ে দিল।

টেকনো চোয়াল কঠিন করে বলল, “জুয়ার টাকা আমি ছুঁই না।”

“কিছু খাবেন?”

“না, অন্যের পয়সায় আমি খাই না। যা বলছিলাম, সব লুট হয়ে যাচ্ছে। জুয়ার টাকা লুট হচ্ছে, ব্যাঙ্কের টাকা লুট হচ্ছে, দেশের সম্পদ লুট হচ্ছে। চার দিকে লুটের মহাযজ্ঞ চলছে। নেতারা লুটেপুটে খাচ্ছে। সিগারেট আছে?”

অভ্র বলল, “এই যে বললেন অন্যের পয়সায় খান না।”

“সিগারেট খাওয়া নয়, টানা হয়। কিছুই জানেন না দেখছি,” সিগারেটটা কানের ওপর গুঁজে টেকনো বিরক্ত হয়ে তাকাল, “ফোকটের টাকায় কী করবেন? অনেকে তো এখান থেকে সোজা বেশ্যাবাড়ির দরজায় চলে যায়।”

অভ্র ধৈর্য হারিয়ে বলল, “যা ইচ্ছে তা-ই করব। তাতে আপনার কী? আমি বেকার যুবক, ওই টাকাটা আমার কাছে অনেক।”

“আচ্ছা! আপনাকে একটা গোপন কথা বলি। উনিশশো নব্বই সালে অ্যাপোলো কোম্পানি যে টায়ারটা বাজারে এনেছিল, তার ডিজ়াইনটা...”

টেকনোর কথা শেষ হওয়ার আগেই অভ্র বলল, “আপনি করেছিলেন। তাই তো?”

টেকনো বিস্মিত, “আপনি কী করে জানলেন?”

“না জানার কী আছে? সারা শহর জানে।”

টেকনো ঘাড় দুলিয়ে বলল, “তা হলে দেখুন, খবরটা কাকপক্ষী পর্যন্ত জানে, কিন্তু সরকার জানে না। নিদেনপক্ষে পদ্মশ্রীটা আমার প্রাপ্য ছিল। ঘোর অন্যায়, ঘোর অবিচার চার দিকে।”

অভ্র টেকনোর কাছ থেকে পালিয়ে এল। পকেট এখন গরম, মেজাজ ফুরফুরে। বাইক চালাতে-চালাতে গান গেয়ে ফেলল অভ্র। থামল এক সাউথ ইন্ডিয়ান ফুড-স্টলের সামনে। খিদে পাচ্ছে খুব। মশলা দোসার অর্ডার দিয়ে প্লাস্টিকের চেয়ারে নিজেকে ছড়িয়ে বসল।

সম্বরের স্বাদ নিতে নিতে অভ্রর মাথায় ভাবনাফড়িং লাফাতে শুরু করল। কী ভাবে যে এগোবে, দিশা খুঁজে পাচ্ছে না সে। এই টিউশন, বাজার-দোকান, লটারির টিকিট কাটা, হাব্বাডাব্বা খেলা, খাওয়া আর ঘুম ইত্যাদি নিয়েই তার দিন কেটে যাবে? রুমকিকে সে কোনও কথা দেয়নি, তবু মন খুঁতখুঁত করছে। সে রুমকির উদ্বেগের পরোয়া না করেই আজ আবার জুয়া খেলেছে।

দূর! কিছুই ভাল লাগছে না। এক ধূসর বিপন্নতা মনটাকে গ্রাস করে নিচ্ছে ক্রমশ। এখন মনে হচ্ছে, এ ভাবে ধুঁকে ধুঁকে বাঁচার চেয়ে সাহসে ভর করে আত্মহত্যাটা যদি সে করতে পারত!

আজ আবার সে হাব্বাডাব্বা খেলবে। আগের রোববার বড় দাঁও মেরেছিল। আট হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে সে আসরে নামবে। কপাল ভাল থাকলে ওই আট হাজার ষোলো হাজার হয়ে যেতে পারে। তার হারানোর কিছু নেই, ঝুঁকি নিয়ে দেখতে ক্ষতি কোথায়?

আজ কপাল খারাপ, কিছুই ঠিকঠাক হচ্ছে না। শুরুর রাউন্ডেই সে হেরে গেল। এক ঘণ্টা পর মুখ কালো করে অভ্র বাইক স্টার্ট করল। চার হাজার টাকা খুইয়ে ফেলার পরে তার আর খেলার সাহস হয়নি। মাথার মধ্যে বিপদের অ্যালার্ম বেজে উঠেছিল। এখনই না থামলে আট হাজার টাকার পুরোটাই সে হারাবে।

রোববার সাধারণত তার টিউশন থাকে না। বুধবার সে টিউশনের ডেটটা মিস করেছিল, আজ সন্ধে সাতটায় যাওয়ার কথা। ফুটপাতের দোকানে ডিম-টোস্ট খেয়ে সে পঁচিশ টাকা বাড়িয়ে দিল।

তখনই ফোনটা এল। দেবারতির বাবা ফোন করেছেন। তার মানে নিশ্চয়ই আজ কোনও সমস্যা হয়েছে। হয়তো দেবারতির শরীর ভাল নেই। পড়াতে যেতে হবে না। আনন্দে সে বলল, “হ্যালো।”

“আমি দেবারতির বাবা বলছি।”

“হ্যাঁ, বলুন।”

“বলছিলাম যে, আর দেবারতিকে পড়াতে আসার দরকার নেই।”

অভ্র যেন বোবা হয়ে গেল।

“হ্যালো, স্যরি টু সে। বাই দ্য ওয়ে, আপনার এই ক’দিনের রেমুনারেশন পাঠিয়ে দেব। আপনার গুগল-পে নম্বরটা জানাবেন কাইন্ডলি।”

অভ্রর কান-মাথা ভোঁ-ভোঁ করছিল। ইচ্ছে করছিল যে বলে দেয়, ‘রাখুন মশাই। ওই তিন দিনের টাকা আমার দরকার নেই।’

পারল না, জিভ আটকে গেল। টাকার কাছে মানুষ কত অসহায় সে আর এক বার টের পেল। আর্থিক স্থিতি না থাকলে মেরুদণ্ড সোজা থাকে না। অহং দেখিয়ে ন’শো টাকা সাধ করে সে হারাতে চায় না। সে নিভন্ত গলায় বলল, “এই নম্বরটাতেই গুগল-পে আছে।”

ক্রমশ

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE