শুরু হল সপ্তাহান্তের ছুটি। গরমের সময়ে রান্নাঘরে বেশি ক্ষণ থাকতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু, সুস্বাদু খাবার খাওয়ার শখও মেটানো প্রয়োজন ছুটিতে। তা হলে এমন এক রান্না করতে পারেন, যা বানানোর জন্য মাত্র ১০-১৫ মিনিট প্রয়োজন। পটল পছন্দ না হলেও তা দিয়ে বানানো ঘণ্ট তৃপ্তি করে খেতে পারেন। বাড়ির ছোটরাও সব্জি না চিনে চেটেপুটে খেয়ে নেবে। রইল পটলের ঘণ্টের রেসিপি।
উপকরণ
৩৫০ গ্রাম পটল
৩ চামচ কুড়োনো নারকেল
৩ টেবিল চামচ সর্ষের তেল
২টি তেজপাতা
১টি শুকনো লঙ্কা
আধ চা চামচ গোটা জিরে
১ ইঞ্চি আদা
২টি আলু
আধ চা চামচ ধনেগুঁড়ো
১ চা চামচ জিরেগুঁড়ো
আধ চা চামচ হলুদগুঁড়ো
স্বাদমতো লঙ্কাগুঁড়ো
১ চামচ চিনি
আধ চা চামচ গুঁড়ো গরমমশলা
১ চা চামচ ঘি
আধ কাপ জল (যদি প্রয়োজন হয়)
স্বাদমতো নুন
প্রণালী
খোসা ছাড়িয়ে ডুমো ডুমো করে কেটে নিন পটলগুলি। সেগুলি মিক্সার গ্রাইন্ডারে মিহি করে বেটে নিন। অথবা কুচি কুচি করে কেটেও নিতে পারেন। যেমন পছন্দ তেমনই রাখতে পারেন। ও দিকে আলুগুলিও একই ভাবে কেটে রেখে দিন।
এ বার কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে তেজপাতা, জিরে আর শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। এ বার আদা বেটে বা ঘষে নিয়ে তেলে ছেড়ে দিন। তার পরে সেই তেলে আলুগুলিকে ভাজতে দিন। তাতে ঢেলে দিন কুড়োনো নারকেল। অল্প নুন মিশিয়ে নিন। হালকা ভাজা ভাজা হয়ে এলে তাতে গুঁড়ো মশলাগুলি ঢেলে দিন। লঙ্কাগুঁড়ো ব্যবহারের ক্ষেত্রে যার যেমন ঝাল পছন্দ, তেমনই দেবেন। সমস্ত মশলা ও আলু একসঙ্গে নাড়াচাড়া করে নিন। মশলা কষানোর পর কড়াইয়ে পটলবাটা বা পটলের কুচি ঢেলে দিন।
এ বার অল্প আঁচে ধীরে ধীরে রান্না হতে দিন। মাঝে মধ্যে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। ঢাকা দিয়ে রাখলে আরও দ্রুত সেদ্ধ হবে সব্জিগুলি। যদি ৫ মিনিট পরেও আলু সেদ্ধ না হয়, তা হলে আধ কাপ গরম জল তাতে ঢেলে দিন। ভাল করে ফুটিয়ে নিয়ে জল শুকিয়ে নিন। শেষে চিনি, ঘি আর গরমমশলা ছড়িয়ে নাড়িয়ে নিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। প্রস্তুত হয়ে গেল পটলের ঘণ্ট। গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে আয়েস করে খেতে পারেন।