ভুর্জি, অমলেট থেকে ঝোল, রকমারি রূপে ডিম রেঁধেও একঘেয়েমি আসতে পারে। আর সেই সময়েই প্রয়োজন, নয়া রন্ধনকৌশল। কিন্তু স্বাস্থ্যসচেতনতার যুগে তেল-মশলা বেশি হলেও মুশকিল। বাড়ির সকলের জন্য উপযুক্ত পদ রান্না করতে হলে তেল বাদ দিয়েও ডিমের সুস্বাদু পদ রাঁধা যায়। টক দই দিয়ে ডিমের রোস্ট বানালে তাতে তেলের প্রয়োজন পড়বে না এক বিন্দু।
উপকরণ
৬টি ডিম
১ টেবিল চামচ মাখন বা ঘি
এক চিমটে গোটা গরমমশলা
২টি তেজপাতা
৩ টেবিল চামচ টক দই
৩টি পেঁয়াজের রস
দেড় টেবিল চামচ আদাবাটার রস
৪-৫টি কাঁচালঙ্কা
এক মুঠো কিশমিশ
স্বাদমতো নুন
স্বাদমতো গোলমরিচ
প্রণালী
ডিমগুলি সেদ্ধ করে নিয়ে খোলস ছাড়িয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে সারা গায়ে ছিদ্র করে নিন। এ দিকে কিশমিশগুলি জলে ভিজিয়ে রেখে থেঁতো করে নিতে হবে। এ বার বড় একটি পাত্রে দই, পেঁয়াজবাটার রস, আদাবাটার রস, নুন ভাল করে ফেটিয়ে নিতে হবে। থেঁতো করা কিশমিশও শেষে মিশিয়ে দিতে হবে এতে। শেষে সেদ্ধ ডিমগুলি এই মিশ্রণে ঢেলে দিন। বেশ খানিক ক্ষণ ঢাকনা চাপা দিয়ে রাখতে হবে এই মিশ্রণটি। মাঝে মধ্যে ঢাকনা খুলে নেড়েচে়ড়ে দিতে হবে, যাতে ডিমের ভিতর মশলা ভাল করে প্রবেশ করতে পারে।
এ বার কড়াই আঁচে বসিয়ে ঘি বা মাখন ঢেলে দিন। তাতে গোটা গরমমশলা থেঁতো করে মিশিয়ে দিন। সঙ্গেও তেজপাতাও। তার পর ডিম সমেত মিশ্রণ কড়াইয়ে ঢেলে দিন। মিশ্রণে যেহেতু নুন দেওয়া ছিল, তাই নতুন করে আর দিতে হবে না। তবে রান্নার মাঝে এক বার চেখে দেখে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। গোটা মিশ্রণটি ঢিমে আঁচে কষাতে হবে ধৈর্য ধরে। দইয়ের তেল ছাড়তে শুরু করলে প্রয়োজন মতো অল্প চিনি মেশানো যায়। যাঁর যেমন অভিরুচি, তেমন পরিমাণ মিশিয়ে নিতে হবে। যদি টক বেশি মনে হয়, তা হলে চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দেবেন। নয়তো খুব বেশি চিনি ব্যবহার না করাই ভাল।