এই কচুরি খেলে কেউ দুধ খেতে চাইবেন না, কেন জানেন

নিজস্ব প্রতিবেদন
এই কচুরি খেলে কেউ দুধ খেতে চাইবেন না, কেন জানেন

বর্ষাকালে একটু বেশিই যেন ভাজাভুজি খেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু ভাজাভুজি খেলেও তা যেন পুষ্টিকর হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতেই হবে। কোভিড আবহে শুধু না, প্রোটিন সব বয়সের সবাইকেই খেতে হবে।প্রোটিন মানেই মনে হয় দুধ। তবে দুধ নয়, বরং ছানা দিয়েই যদি স্ন্যাক্স বানিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে কেমন হবে?

ছানার কচুরি দিয়ে শুধু স্ন্যাক্স কেন, নৈশভোজও জমে যেতে পারে কিন্তু।

উপকরণ

পুরের জন্য:

ছানা ২০০ গ্রাম (জল ঝরানো)

পেঁয়াজ কুচি: ১টি বড়

আদা বাটা: ১ চা চামচ

রসুন বাটা: ১/২ চা চামচ

গরম মশলা গুঁড়ো: ১ চা চামচ

কাঁচালঙ্কা কুচি: ১ চা চামচ

কিসমিস: পরিমাণ মতো

নুন: স্বাদমতো

চিনি: স্বাদমতো

কচুরির জন্য

ময়দা: ২৫০ গ্রাম

ঘি: ৫০ গ্রাম (সাদা তেলও ব্যবহার করতে পারেন)

নুন: স্বাদমতো

প্রণালী:প্রথমে এক লিটার দুধের ছানা তৈরি করে নিন দুধ কাটিয়ে। ময়দা সাদা তেল বা ঘি ও নুন দিয়ে শক্ত করে মাখুন। কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও লঙ্কা দিন। অল্প ভাজা হলে ছানা দিন ও স্বাদ মতো চিনি, নুন ও কিসমিস দিয়ে নাড়তে থাকুন। ভাজা ভাজা হলে গরম মশলা ও গোলমরিচ দিয়ে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল ছানার পুর।

এবার ময়দা থেকে লেচি করে একটু বড় আকারের লুচি বেলুন। পুর ভরে দিন লেচির মধ্যে। ধারগুলো সুন্দর ভাবে মুড়ে দিন, যাতে ভাজার সময় পুর বেরিয়ে না যায়। ডুবো তেলে হালকা আঁচে গরম গরম ভাজুন।সস, পেঁয়াজ, লঙ্কা দিয়ে পরিবেশন করুন।