বাড়িতে মুচমুচে

নিজস্ব সংবাদদাতা
বাড়িতে মুচমুচে

ভাতের পাতে হোক বা সন্ধেবেলায় চায়ের সঙ্গে, কুড়মুড়ে মুচমুচে আলু ভাজা থাকলে আর কিছু লাগে না। বাড়িতে ঠিক রেস্তরাঁর মতো কুড়মুড়ে আলু ভাজা বানাবেন কী করে, সেটাই এ বার জানার পালা।

  • মাঝারি থেকে বড় আকারের আলু কিনতে হবে। 
  • আলুর খোসা ভাল করে ছাড়িয়ে নিন। যতটা সম্ভব সরু করে আলু কেটে নিন। দরকারে স্লাইসার ব্যবহার করুন। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই করতে চাইলে বেশি সরু করে আলু কাটবেন না। সে ক্ষেত্রে আলুর টুকরো আধ ইঞ্চি মতো পুরু থাকবে। লম্বায় তিন ইঞ্চি রাখতে পারেন। 
  • এ বার আলুর টুকরোগুলো কলের তলায় ধরে ভাল করে ধুয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন যাতে পাত্রের গায়ে বা জলে আলুর স্টার্চ একটুও লেগে না থাকে। 

 দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

  • একটি পাত্রে জলের মধ্যে কিছু বরফ দিন। এক টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস দিন তার মধ্যে। এ বার আলুর টুকরোগুলো সেই পাত্রের জলে ডুবিয়ে ফ্রিজে রাখুন।
  • আধ ঘণ্টা পরে তা বার করে জল থেকে ছেঁকে তুলে নিন। অন্য একটি পাত্রে জল ঝরিয়ে নিন ভাল করে।
  • ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করতে চাইলে আলুর টুকরোগুলো ভাজার আগে একটি পাত্রে অল্প কর্নফ্লাওয়ার ও স্বাদ মতো নুন মিশিয়ে রাখুন। ভাজার আগে আলুগুলো এই মিশ্রণে দিয়ে দু’হাতে ভাল করে মিশিয়ে নিন। ঘরোয়া আলু ভাজার ক্ষেত্রে শুধু নুন মাখিয়ে নিলেই চলবে।
  •  এ বার কড়াইয়ে তেল দিয়ে তা ফুটন্ত তাপমাত্রায় পৌঁছনো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আলু ছেড়ে আঁচ মাঝারি করে নিন।
  • একে একে আলুর টুকরোগুলো দিয়ে নাড়তে থাকুন। মনে রাখবেন, একটু ডুবো তেলে আলুগুলো ভাজতে হবে। 
  • খুন্তি নেড়ে আলুগুলো ছাড়িয়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখবেন, আলুর টুকরো কড়াইয়ের নীচে যেন আটকে না যায়। তাই অনবরত খুন্তি নাড়িয়ে যেতে হবে। প্রথমে মাঝারি আঁচে আলু ভেজে তুলে নিতে হবে। এতে আলু সুসিদ্ধ হয়ে যাবে। ভাজা আলু তুলে টিসু পেপারে রেখে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। অতিরিক্ত তেল শুষে নেবে পেপার। তার পরে আবার আঁচ বাড়িয়ে তেলে লালচে করে ভেজে নিন আলু। দ্বিতীয় বার ভাজার পরে আলু সোনালি ও মুচমুচে হয়ে আসবে। এ বার ভাজা আলু তুলে নিন।
  • সার্ভিং প্লেটে আলু ভাজার উপরে চাটমশলা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
  • মুচমুচে আলু ভাজা খেতে তো ভালই লাগে। কিন্তু মনে রাখবেন একে আলু, তার উপরে ভাজা। ফলে এই খাবার বেশি খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। তাই মাঝেমাঝে খাওয়াই ভাল।