ভিনি, ভিদি, ভিসি।

এলেন, দেখেলেন, জয় করলেন। দীপা কর্মকার। চোট সারিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। তুরস্কের মেসিনে জিমন্যাস্টিক্স ওয়ার্ল্ড চ্যালেঞ্জ কাপে প্রথম ভারতীয় হিসাবে সোনা জিতলেন তিনি। 

পাখির মতো ঘুরে বেড়ান তিনি। মনের জোরও মারাত্মক। ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর বহুদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। কিন্তু প্রস্তুতি চলছিল তখন থেকেই। তাই চোট সারিয়েই ফিল্ডে নামলেন এই বাঙালি তনয়া। অনেকেই ভেবেছিলেন, এতদিন মাঠের বাইরে থাকার পর কীভাবে ফেরত আসবেন তিনি। কিন্তু সব আশঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করে জিমন্যাস্টিক্স বিশ্ব কাপের আসরে বাজিমাত করলেন এই সোনার মেয়ে।

দীপার এই সাফল্যের পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ত্রিপুরার মেয়ে দীপার সাফল্যে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজ্যবর্ধন রাঠোর এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবও। বিশ্ব চ্যালেঞ্জ কাপের ফাইনাল ইভেন্টে ১৪.১৫০ স্কোর করেন তিনি। কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দীর তত্ত্বাবধানে এই সাফল্য, সংবাদ সংস্থাকে এমনটাই জানান দীপা।

আরও পড়ুন: নাটক! নাটক! নাটক! শেষ চারে ক্রোয়েশিয়া

‘ধুইয়ে দাও’, সৌরভের জন্মদিনে বীরুর টুইট, বাংলায় শুভেচ্ছা সচিনের​

লিগামেন্টে চোটের পর অস্ত্রোপচার হয়েছিল দীপার। রিহ্যাব চলার জন্য তিনি চলতি বছরের এপ্রিলে গোল্ড কোস্টের কমনওয়েলথ গেমসে অংশগ্রহণ করেননি। তুরস্কের এই প্রতিযোগিতায় ১৩.৪০০ স্কোর করে যোগ্যতা অর্জন পর্বে দীপা সবার আগে ছিলেন। ফাইনালেও অন্য প্রতিযোগীদের ছাপিয়ে গেলেন এই বাঙালি কন্যা। ১১.৮৫০ স্কোর করে তৃতীয় হয়ে ব্যালেন্স বিম ইভেন্টের ফাইনালে উঠেছেন দীপা। আরও একটি পদকের আশা তৈরি হয়েছে সে কারণেই। এই প্রতিযোগিতার পর এশিয়ান গেমসে অংশ নেবেন দীপা।

 

ভারতের প্রথম মহিলা জিমন্যাস্ট হিসাবে এই শিরোপা পেলেন দীপা। তাঁর এই সাফল্য ভবিষ্যতের জিমন্যাস্টদের আশা জোগাবে, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।

দীপার সাফল্যে টুইটারে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।