• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

গম্ভীর আমাকে ভয় পেত, দাবি পাক বোলারের

Gautam and Irfan
বিতর্ক: ২০১২ সালের সিরিজে গম্ভীরকে চার বার আউট করেছিলেন ইরফান (নীচে)। ফাইল চিত্র

ভারতের প্রাক্তন ওপেনার গৌতম গম্ভীর তাঁর মুখোমুখি হলেই অস্বস্তিতে থাকতেন। চোখে চোখ রাখতেন না। মাঠেও গম্ভীরের সীমিত ওভারের কেরিয়ার শেষ করে দিয়েছিলেন তিনি। ২০১২ সালের দ্বিপাক্ষিক সিরিজের কথা তুলে দাবি করলেন পাকিস্তানের পেসার মহম্মদ ইরফান। 

জাতীয় দলে ইরফান এখন নিয়মিত নন। সাত ফুট এক ইঞ্চি লম্বা পেসার পাকিস্তানের একটি চ্যানেলে বলেছেন, ‘‘ভারতের বিরুদ্ধে যখন খেলেছিলাম, ওরা আমার বিরুদ্ধে ব্যাট করতে নেমে অস্বস্তিতে থাকত। কয়েকজন ভারতে ২০১২ সালের সিরিজে বলেছিল, আমার বল ওরা ভাল করে দেখতে পারত না। সেটা আমার উচ্চতার জন্য। সঙ্গে আমার বলের গতিও ওরা ধরতে পারত না।’’

এর পরেই গম্ভীরকে নিয়ে ইরফান বলেন, ‘‘গম্ভীর আমাকে ভয় পেত। আমার মনে হয় ওর কেরিয়ার আমার জন্যই শেষ হয়ে গিয়েছিল। তার পরে ও আর জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ পায়নি।’’ সেই সিরিজে (টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ান ডে) মোট চার বার গম্ভীরকে আউট করেছিলেন ইরফান। এর পরে গম্ভীর দল থেকে বাদ পড়ার আগে আর একটি সিরিজে সুযোগ পেয়েছিলেন (২০১২-’১৩ সালে বনাম ইংল্যান্ড)। ‘‘গম্ভীর ম্যাচে হোক বা দু’দলের নেট, কোথাও আমার মুখোমুখি হতে পছন্দ করত না। চোখে চোখ রাখত না। মনে আছে, আমি ওকে ২০১২ সালের সীমিত ওভারের সিরিজে তিন বার আউট করেছিলাম। আমার সামনে ও চাপে পড়ে যেত।’’ গম্ভীর দেশের জার্সিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন আমদাবাদে ওই সিরিজেই।

শুধু গম্ভীরই নন, বিরাট কোহালিও তাঁর বলের গতি ধরতে সমস্যায় পড়েছিলেন বলে দাবি করেন ইরফান। ‘‘বিরাট আমায় বলেছিল, ঘণ্টায় ১৩০-১৩৫ কিমি গতিতে বল করব ভেবেছিল। কিন্তু আমি বলের গতি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম। ঘণ্টায় ১৪৫ কিমি গতির আশপাশে বল করছিলাম তখন। তাই আমার বল বুঝতে সমস্যা হচ্ছিল ওর। ব্যাটিং করার সময় আমার একটা গুড লেংথ বল মারতে গিয়ে বিরাট ফস্কায়,’’ সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন ইরফান। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, ‘‘যুবরাজ সিংহ অন্য প্রান্তে ব্যাট করছিল তখন। পঞ্জাবিতে যুবরাজ বলে বিরাটকে, পুল করতে যাস না, কাট কর। আমার তৃতীয় বলে বিরাট পুল করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে বসে উইকেটকিপারকে।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন