কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে ব্রাজিল। কোয়ার্টার ফাইনালে চিলিকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিলেন নেমাররা। ভিদেল, স্যাঞ্চেজরা চেষ্টা করলেও ব্রাজিলকে আটকাতে পারলেন না।
প্রথমার্ধে দুই দলই যেন একে অপরকে মেপে নিতে চাইছিল। চিলি বেশ কয়েকবার দ্রুত আক্রমণে উঠে এলেও ব্রাজিলের গোলরক্ষক এডেরসন মোরায়েজকে পরাস্ত করতে পারেনি। অন্য দিকে ব্রাজিলও বেশ কিছু আক্রমণ করে, কিন্তু গোল করতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দলে পরিবর্তন করেন ব্রাজিল প্রশিক্ষক তিতে। রোবের্তো ফিরমিনোর পরিবর্তে মাঠে নামান লুকাস পাকুয়েটাকে। তাঁর গোলেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
#CopaAmérica 🏆
— Copa América (@CopaAmerica) July 3, 2021
QUE GOLAÇO! Lucas Paquetá definiu uma grande jogada para abrir 1-0 do @cbf_futebolBrasil 🆚 Chile
#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/p8TZKvqlxi
আরও পড়ুন:
৪৬ মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন পাকুয়েটা। চিলির বক্সের মধ্যে বল পেয়ে নেমারকে দিয়েছিলেন তিনি। নেমার সেই বল আবার তাঁকেই ফেরত দেন। সেই সময় চিলির ডিফেন্ডার ভেগাস বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে দেন পাকুয়েটা।
গোল করার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিপত্তি। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন গ্যাব্রিয়াল জেসুস। বল ধরার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন চিলির ইউজেনিয়ো মেনা। প্রায় উড়ে এসে তাঁর মুখে পা চালান জেসুস। সঙ্গে সঙ্গে লাল কার্ড দেখিয়ে তাঁকে মাঠ থেকে বার করে দেন রেফারি।
#CopaAmérica 🏆
— Copa América (@CopaAmerica) July 3, 2021Brasil 1 🆚 0 Chile
⏱️ 60’
⚽Lucas Paquetá (46’)#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/5GJgeBhkHP
৬২ মিনিটের মাথায় ব্রাজিলের জালে বল জড়িয়ে দিয়েছিল চিলি। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। ভার-এর সাহায্য নিয়ে দেখা হয় সত্যিই অফসাইড ছিল কি না। তবে তাতেও লাভ হয়নি চিলির।
৬৬ মিনিটের মাথায় গোলরক্ষককে প্রায় একা পেয়ে গিয়েছিলেন নেমার। বাঁ দিক দিয়ে বল নিয়ে তিনি উঠে গিয়েছিলেন বিপক্ষের বক্সের মধ্যে। কিন্তু নেমারের শট আটকে দেন গোলরক্ষক ক্লদিয়ো ব্র্যাভো।
খেলার শেষের দিকে চিলির একের পর আক্রমণ ভয় ধরাচ্ছিল ব্রাজিল রক্ষণে। তবে কাজের কাজটি করতে পারেননি স্যাঞ্চেজরা।
সেমিফাইনালে পেরুর মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বে তাদের ৪-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছিলেন নেমাররা। ফাইনালের পথে সেই পেরু বাধা হয়ে উঠতে পারবে বলে মনে করছেন না সমর্থকরা। কোপার ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিল ব্রাজিল।