Advertisement
E-Paper

ফাইনালের আগে চাপ, রাতে ঘুম হয়নি বৈভবের! লক্ষ্য আরও বড়, ছোটদের বিশ্বকাপের সাফল্যে গা ভাসাতে নারাজ ১৪ বছরের ব্যাটার

এক বারের বেশি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ নেই। তাই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে চায়নি বৈভব সূর্যবংশী। ফাইনালে ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডকে লড়াই থেকে ছিটকে দেওয়াই ছিল লক্ষ্য।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫০
picture of cricket

বৈভব সূর্যবংশী। ছবি: এক্স।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার। ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস। ১৪ বছর বয়সেই তারকা হয়ে উঠেছে বৈভব সূর্যবংশী। বিহারের কিশোর অবশ্য ছোটদের বিশ্বকাপের সাফল্যে ভেসে যেতে নারাজ। তার লক্ষ্য অনেক দূর।

সমস্তিপুরের বাসিন্দা ছোটদের বিশ্বকাপ জয়কে তার ক্রিকেটজীবনের শুরু হিসাবে দেখতে চাইছে। নিজের পারফরম্যান্সে খুশি হলেও তার মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস নেই। বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে নিয়ে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে সমাজমাধ্যমে বৈভব লিখেছে, ‘‘ব্যাটিং খুব উপভোগ করেছি। দলের সাফল্যে অবদান রাখতে পেরে ভীষণ ভাল লাগছে। এই জয়টা আমার হৃদয়ের একটা বিশেষ জায়গায় থাকবে। আমাকে সকলে যে ভালবাসা দিয়েছেন, তাতে আমি সত্যিই অভিভূত।’’ একই সঙ্গে বৈভব লিখেছে, ‘‘আমাকে আরও অনেক দূর যেতে হবে।’’

একটি ক্রীড়া ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফাইনালের আগে চাপের কথা মেনে নিয়েছে বৈভব। সে বলেছে, ‘‘ফাইনালের আগের রাতে ঘুম হয়নি। মনে হয় ১ বা ২ ঘণ্টা ঘুমিয়েছি। ফাইনাল খুব বড় ম্যাচ। আমরা ফাইনালটা আরও একটা ম্যাচ হিসাবে ভাবতে চেয়েছিলাম। অস্বীকার করব না, আমরা সকলে একটু হলেও চাপে ছিলাম। ফাইনালের আগে সব দলই চাপে থাকে। অন্য দেশের ক্রিকেটারেরা হয়তো একাধিক বার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায়। কিন্তু আমরা ভারতের ক্রিকেটারেরা এক বারের বেশি খেলতে পারি না। একটাই সুযোগ। তাই ফাইনাল জিতে স্মরণীয় কিছু করতে চেয়েছিলাম আমরা। আমাদের সুযোগ খুব কম। সেটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি আমরা।’’

১৪ বছরের ব্যাটার আরও বলেছে, ‘‘বাবার সঙ্গে কথা বলেছি। বাবাকে বললাম, আমার স্বপ্নের অর্ধেক সফল হয়েছে। আমি বড়দের বিশ্বকাপও খেলতে চাই। এই স্বপ্নটাও পূরণ করতে হবে। সব ক্রিকেটারই চায় দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলতে এবং জিততে। আমি আলাদা নই। এখন আমার ওটাই লক্ষ্য।’’

ফাইনালে শতরানের সময় ২২ গজে বৈভবের সঙ্গে ছিলেন আয়ুষ মাত্রে। সে সময় অধিনায়ক কোনও পরামর্শ দিয়েছিলেন? বৈভব বলেছে, ‘‘হ্যাঁ, শতরানের আগে আয়ুষ ভাই একটু ধরে খেলতে বলেছিলেন। খুচরো রান নিয়ে শতরান পূর্ণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমার অন্য রকম ভাবনা ছিল। চেয়েছিলাম যতক্ষণ ক্রিজ়ে থাকব, ততক্ষণ ইংল্যান্ডকে চাপে রাখব। ওদের লড়াই থেকে ছিটকে দেওয়াই ছিল আমার লক্ষ্য। ম্যাচের প্রথম ইনিংসেই আমাদের দাপট বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। শুধু আমার ইনিংসের কথা বললে হবে না। সকলের অবদান রয়েছে। না হলে কি আমরা ৪১১ রান তুলতে পারতাম?’’

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নীতি অনুযায়ী, এক জন ক্রিকেটার এক বারই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায়। বিষয়টি অজানা নয় বৈভবেরও। ১৪ বছরের ব্যাটারের নজর এ বার বড় ক্রিকেটে। সেখানেও নিজেকে প্রমাণ করতে চায় সমস্তিপুরের কিশোর।

final Vaibhav Sooryavanshi BCCI
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy