টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিশ্চিত অস্ট্রেলিয়ার। জ়িম্বাবোয়ে এবং শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে মিচেল মার্শেরা আরও একটি সমস্যার সামনে। ২০২৮ সালের অলিম্পিক্সে সরাসরি খেলার সুযোগও হাতছাড়া হতে পারে তাঁদের।
২০২৮ সালের অলিম্পিক্সে হবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট। পুরুষ এবং মহিলাদের প্রতিযোগিতায় ছ’টি করে দল খেলার সুযোগ পাবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) প্রতিটি জ়োন থেকে একটি করে দল সুযোগ পেতে পারে ক্রমতালিকায় অবস্থানের ভিত্তিতে। যদিও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি এখনও যোগ্যতা অর্জনের প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে সিলমোহর দেয়নি। মনে করা হচ্ছে, যোগ্যতা অর্জন নিয়ে আইসিসির প্রস্তাবই মেনে নেবেন অলিম্পিক কমিটির কর্তারা। কারণ, ক্রিকেটের ব্যাপারে তাঁদের অভিজ্ঞতা প্রায় নেই।
এই পরিস্থিতিতে অলিম্পিক্স না-ও খেলা হতে পারে অস্ট্রেলিয়ার। এ বারের বিশ্বকাপে সুপার এইটে পৌঁছে গিয়েছে নিউ জ়িল্যান্ড। সেমিফাইনালে উঠলে আইসিসির ক্রমতালিকায় অস্ট্রেলিয়াকে টপকে যাবেন মিচেল স্যান্টনারেরা। তা হলে ওসেনিয়া অঞ্চল থেকে আগামী অলিম্পিক্সে খেলার যোগ্যতাও অর্জন করবে তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউ জ়িল্যান্ডের ধারাবাহিক সাফল্যও গুরুত্ব পেতে পারে। ২০০৭, ২০১৬, ২০২১ এবং ২০২২ সালের বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে নিউ জ়িল্যান্ড।
নিউ জ়িল্যান্ড সরাসরি অলিম্পিক্স খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও সুযোগ থাকবে অস্ট্রেলিয়ার। ক্রমতালিকার ভিত্তিতে আইসিসির বিভিন্ন অঞ্চলের দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলিকে নিয়ে হতে পারে যোগ্যতা অর্জন প্রতিযোগিতা। সেই প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়নেরা ষষ্ঠ দল হিসাবে অলিম্পিক্সে যাবে।
আরও পড়ুন:
শেষ পর্যন্ত ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে না পারলে, তা হবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ধাক্কা। কারণ ২০৩২ সালের অলিম্পিক্সের আয়োজক ব্রিসবেন। ওই গেমসেও থাকবে ক্রিকেট। উল্লেখ্য, ১৯০০ সালের পর ২০২৮ সালে প্রথম বার অলিম্পিক্সে ক্রিকেট হবে।