Advertisement
E-Paper

গম্ভীরের জোড়া সাংবাদিক বৈঠকে চটেছেন বোর্ডকর্তারা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই বাঁচাতে পারে গৌতির চাকরি

ইডেন টেস্টে আড়াই দিনে হারার পর পিচ প্রস্তুতকারকের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। গুয়াহাটিতে হারার পর প্রকাশ্যেই সমালোচনা করেছেন বোর্ডের সূচির। গৌতম গম্ভীরের এ সব মন্তব্যে মোটেই খুশি নন বোর্ডের কর্তারা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:৫২
cricket

গৌতম গম্ভীর। — ফাইল চিত্র।

ইডেন টেস্টে আড়াই দিনে হারার পর গোটা বিশ্ব যখন পিচের সমালোচনা করছে, তখন পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। আবার গুয়াহাটিতে হারার পর প্রকাশ্যেই সমালোচনা করেছেন বোর্ডের সূচির। ক্রিকেটারদেরও তুলোধনা করেছেন। গম্ভীরের মন্তব্যে মোটেই খুশি নন বোর্ডের কর্তারা। এখনই তাঁরা ভারতের কোচকে কিছু বলতে চান না। ছাঁটাই করতে চান না চাকরি থেকেও। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই যে গম্ভীরের মেয়াদ নির্ধারণ করতে চলেছে, সেটা মোটামুটি পরিষ্কার।

‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গম্ভীর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যে ভাবে কথা বলেছেন তাতে খুশি নয় বোর্ডের উপরমহল। কলকাতায় হারের পর পিচ নিয়ে মন্তব্যে আগুনে ঘি পড়েছে। জনসমক্ষে যে সুরে গম্ভীর কথা বলেছেন তাতে খুশি নন বোর্ডকর্তারা। কারও কারও মতে, গম্ভীরের ঔদ্ধত্য ধরা পড়েছে তাঁর কথায়, যা বোর্ডের ভাবমূর্তির জন্যও ভাল নয়। মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে মাঠের বাইরের নাটক নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে বলে মনে করছেন বোর্ডকর্তারা।

প্রকাশ্যে না বললেও বোর্ডকর্তাদের সকলেই যে গম্ভীরের পাশে আছেন এমন ভাবার কারণ নেই। এমনিতেই ঘরের মাঠে ভারতের টেস্ট সংক্রান্ত নজিরের দফারফা হয়ে গিয়েছে। আপাতত গম্ভীরকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত সময় দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। গম্ভীরের নেতৃত্বে বিশ্বকাপে ভারত ভাল ফল করলে তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না। কিন্তু ব্যর্থ হলে তলায় তলায় তাঁকে সরানোর কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইডেনে হারের পর গম্ভীর বলেছিলেন, ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না। খেলার উপযোগী ছিল। টেম্বা বাভুমা তো রান করল। ওয়াশিংটন সুন্দরও ভাল ব্যাট করল। অক্ষর পটেলও তো খেলল। খেলা যাবে না, এমন উইকেট তো ছিল না। জানি না কেন বার বার স্পিন সহায়ক পিচ বলা হচ্ছে! জোরে বোলারেরাই বেশি উইকেট পেয়েছে এই টেস্টে। ব্যাটারদের টেকনিক, মানসিক শক্তি এবং ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হয় এ রকম পিচে। আমরা পারিনি। এমন পিচে রক্ষণ ভাল হওয়া দরকার।’’ পিচ নিয়ে বিতর্ক উড়িয়ে গম্ভীর আরও বলেছিলেন, ‘‘আমরা যেমন পিচ চেয়েছিলাম, ঠিক তেমনই পেয়েছি। কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায় অত্যন্ত সাহায্য করেছেন। ভাল খেলতে না পারলে তো এমনই হবে। ১২৪ রান তাড়া করতে না পারার কোনও কারণ ছিল না।’’

গুয়াহাটিতে হারের পর গম্ভীর বলেছিলেন, “সূচি তো একটা সমস্যা বটেই। ভাবুন, কলকাতায় টেস্ট খেলার তিন দিন আগে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় ছিলাম। টেস্ট দলের সঙ্গে দু’দিন কাটানোর সময় পেয়েছি। তবে এটা কোনও অজুহাত নয়। মাঝেসাঝে এই বিষয়টাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। দুটো সিরিজ়ের মাঝে সময় থাকা উচিত, যাতে নির্দিষ্ট দক্ষতায় শান দেওয়ার সময় পাওয়া যায়।”

সামগ্রিক ভাবে টেস্ট ক্রিকেটেরই উন্নতি চেয়েছিলেন গম্ভীর। বলেছিলেন, “টেস্ট ক্রিকেটকে আরও প্রাধান্য দিতে হবে, যদি আমরা সত্যিই এই ফরম্যাটটা নিয়ে ভেবে থাকি। প্রত্যেককেই অংশ নিতে হবে। যদি আমরা চাই ভারতে টেস্ট ক্রিকেট আরও জনপ্রিয় হোক, তা হলে সকলের প্রচেষ্টা দরকার। শুধু ক্রিকেটার বা সাপোর্ট স্টাফদের দোষ দিলে চলবে না। আমরা কখনওই সব জিনিস ধামাচাপা দিতে চাই না। সাদা বলের সিরিজ় শুরু হোক। সেখানে সাফল্য পেলে আপনি রাতারাতি ভুলে যাবেন লাল বলের ক্রিকেটে কী হয়েছিল। এটা কখনওই হওয়া উচিত নয়।”

Gautam Gambhir BCCI India vs South Africa 2025
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy