বাংলার ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল, রঞ্জির কোয়ার্টার ফাইনালে অন্ধ্রপ্রদেশ বড় লিড পাবে। কিন্তু অন্ধ্রের সেই স্বপ্নের মাঝে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন সুদীপ ঘরামি। শতরান করলেন তিনি। দিনের শেষে অপরাজিত হয়ে সাজঘরে ফিরলেন। প্রথম ইনিংসে অন্ধ্রের ২৯৫ রানের জবাবে বাংলা ৫ উইকেটে ১৯৯। অর্থাৎ, দ্বিতীয় দিনের শেষে ৯৬ রানে পিছিয়ে রয়েছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণেরা।
প্রথম দিনের শেষে অন্ধ্রপ্রদেশের রান ছিল ৬ উইকেটে ২৬৪। দ্বিতীয় দিন খুব বেশি রান করতে পারেনি তারা। কল্যাণীর মাঠে বাংলার দুই পেসার মুকেশ কুমার ও আকাশদীপের হাতে ২৯৫ রানে অল আউট হয়ে যায় তারা। মুকেশ ৫ ও আকাশদীপ ৪ উইকেট নেন। বাকি একটি উইকেট মহম্মদ শামির।
জবাবে বাংলার শুরুও ভাল হয়নি। দুই ওপেনার অভিমন্যু (১) ও সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (১৩) রান পাননি। অভিজ্ঞ অনুষ্টুপ মজুমদারও গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে ৯ রানে আউট হন। পাঁচ নম্বরে ফাটকা খেলেন বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল। সূরজ সিন্ধু জয়সওয়ালকে নামিয়ে দেন তিনি। সুদীপ ও সূরজের জুটি বাংলাকে খেলায় ফেরায়। অর্ধশতরান করেন সুদীপ।
আরও পড়ুন:
সূরজ ২০ রান করে আউট হন। বাংলার আশা ছিল শাহবাজ় আহমেদের উপর। চলতি মরসুমে কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি অনেক বার দলকে টেনে তুলেছেন। কিন্তু এই ইনিংসে পারলেন না। ৫ রান করে আউট হলেন। সাত নম্বরে নামা সুমন্ত গুপ্ত ভরসা দিলেন। সুদীপ শতরান করেন। দিনের শেষ পর্যন্ত ক্রিজ়ে রয়েছেন দুই ব্যাটার। সুদীপ ১১২ ও সুমন্ত ২২ রানে অপরাজিত।
বাংলা এখনও অন্ধ্রপ্রদেশের থেকে ৯৬ রানে পিছিয়ে। তবে এখনও লিড নেওয়ার সুযোগ রয়েছে তাদের। কারণ, এর পর শাকির হাবিব গান্ধী, শামি ও আকাশদীপ রয়েছেন। তিন জনই ব্যাট করতে পারেন। আপাতত তাঁদের দিকেই তাকিয়ে লক্ষ্মী। প্রথম ইনিংসের লিড এই ম্যাচের ভাগ্য গড়তে পারে। সেই লক্ষ্যে তৃতীয় দিনের শুরুটা ভাল করতে চাইছে বাংলা।