আবার কি আইপিএলে পুরনো মেজাজে দেখা যাবে অভিষেক শর্মাকে? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুনাম রাখতে পারেননি তিনি। দু’টি ম্যাচ ছাড়া চলেনি তাঁর ব্যাট। তবে আইপিএলের শুরু থেকে ছন্দে ফেরার ঈঙ্গিত দিয়েছেন অভিষেক। প্রস্তুতি ম্যাচে ৯৬ রান করেছেন তিনি। দীর্ঘ দিনের বন্ধুর গোপন কাহিনি ফাঁস করলেন ঘরোয়া ক্রিকেটে পঞ্জাবের দলে অভিষেকের সতীর্থ নেহাল ওয়াধেরা।
আইপিএলের আলাদা দলে খেলেন তাঁরা। অভিষেক খেলেন সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদে। নেহাল খেলেন পঞ্জাব কিংসে। কিন্তু ছোট থেকে অভিষেকের সঙ্গে খেলেছেন তিনি। ইনিংসের প্রথম বলে ছক্কা মারার ক্ষমতা রয়েছে অভিষেকের। নেহালের মতে, এই ক্ষমতা তাঁর আজকের নয়। একেবারে শুরুর দিন থেকে প্রথম বলেই ছক্কা মারতে পারেন তিনি।
আইপিএলের আগে ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’-কে নেহাল বলেন, “অনূর্ধ্ব-১৪ স্তর থেকে আমরা একসঙ্গে খেলছি। আমি তখন থেকেই দেখেছি, অভিষেক প্রথম বলে ছক্কা মারতে পারে। এই ক্ষমতা ওর আজকের নয়। শুরুর দিন থেকে ছিল।”
আরও পড়ুন:
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভাল খেলতে না পারায় অনেকে সমালোচনা করে বলেছেন, চাপের মধ্যে ভাল খেলতে পারেন না অভিষেক। কিন্তু নেহালের মতে, সেটা সত্যি নয়। তিনি নিজে তার সাক্ষী। নেহাল বলেন, “অনূর্ধ্ব-১৬ স্তরের একটা প্রতিযোগিতার কথা মনে পড়ছে। তখন পঞ্জাবের দলে আমি, অভিষেক, শুভমন, প্রভসিমরন, নমন একসঙ্গে খেলতাম। আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। গুজরাতের বিরুদ্ধে একটা ম্যাচে ঘূর্ণি উইকেটে আমরা ৪১০ রান তাড়া করে জিতেছিলাম। অভিষেক একাই ১৮০ রান করেছিল। সেই ম্যাচেও ও শুরু থেকে একের পর এক ছক্কা মেরেছিল। এটাই ওর ক্ষমতা।”
এখন অভিষেকের দক্ষতা আরও বেড়েছে বলে মনে করেন নেহাল। নেপথ্যে যুবরাজ সিংহকে কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি। নেহাল বলেন, “অভিষেককে এখন গোটা বিশ্ব চেনে। আমরা আগেই জানতাম ও এক দিন এই জায়গায় যাবে। ও যা সুযোগ পেয়েছে তা কাজে লাগিয়েছে। ওর ধার আরও বেড়েছে। তার কৃতিত্ব যুবরাজ স্যর ও অভিষেকের বাবার প্রাপ্য।”