টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে খেলবে না, পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানাল আইসিসি। যতক্ষণ না পাকিস্তান নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা সরকারি ভাবে তাদের জানাচ্ছে, মুখ খুলবে না বললেও আর অপেক্ষা করতে পারল না আইসিসি।
পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েই বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা বলেছে, জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের ভূমিকাকে আইসিসি সম্মান করে। কিন্তু পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী। গোটা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ক্রিকেটপ্রেমী, যাঁদের মধ্যে পাকিস্তানের সমর্থকেরাও রয়েছেন, তাঁদের ভালর কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নয়।
আইসিসি জানিয়েছে, তারা প্রত্যাশা করে পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি লিখেছে, “পিসিবি তাদের দেশের ক্রিকেটের উপর এর সুদূরপ্রসারী এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবের কথা বিবেচনা করবে। কারণ এটি বিশ্ব ক্রিকেটের বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে, যার অন্যতম সদস্য এবং সুবিধাভোগী পিসিবি নিজেই।”
আরও পড়ুন:
আইসিসি আরও লিখেছে, “পাকিস্তানের 'বাছাই করা ম্যাচ খেলার' অবস্থান বিশ্বের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মূল ভিত্তির সঙ্গে মেলানো কঠিন। কারণ, এ ধরণের প্রতিযোগিতায় যোগ্যতা অর্জন করা সকল দলের কাছে প্রত্যাশা থাকে যে, তারা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সমান শর্তে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।”
পাক বোর্ডকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়ে আইসিসি শেষে লিখেছে, “আইসিসির অগ্রাধিকার হল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফল ভাবে আয়োজন করা। পিসিবি-সহ এর সকল সদস্যেরও এটা দায়িত্ব হওয়া উচিত। আইসিসি আশা করে পিসিবি একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করবে যা বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত সকলের স্বার্থ রক্ষা করবে।