আইপিএল শুরুর আগের দিন ভারতের সিনিয়র দলের হয়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল বৈভব সূর্যবংশী। এত দিন অনূর্ধ্ব-১৯ বা ভারত ‘এ’ দলের হয়ে খেলতে পারলেও সিনিয়র দলের হয়ে মাঠে নামার সুযোগ ছিল না বৈভবের। এ বার গৌতম গম্ভীরের দলের সাজঘরে ঢোকারও ছাড়পত্র পেয়ে গেল বিহারের কিশোর ব্যাটার।
শনিবার ১৫ বছর পূর্ণ করল বৈভব। ভারতের সিনিয়র দলের হয়ে খেলতে আর কোনও বাধা থাকল না তার। অজিত আগরকরেরা মনে করলে তাকে সূর্যকুমার যাদব বা শুভমন গিলের নেতৃত্বাধীন দলের জন্য নির্বাচিত করতে পারবেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) ২০২০ সালের নিয়ম অনুযায়ী, ১৫ বছর বয়স না হলে সিনিয়র দলের প্রতিনিধিত্ব করা যায় না। সে কারণে এত দিন পর্যন্ত বৈভবকে ভারতীয় নির্বাচন করার সুযোগ ছিল না। ভারতের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে খেলার নজির রয়েছে সচিন তেন্ডুলকরের। ১৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে টেস্ট অভিষেক হয় সচিনের। ভারতীয় দলে খেলার ছাড়পত্র পেয়ে যাওয়ায় সচিনের রেকর্ড ভাঙার সুযোগ পেতে পারে বৈভব।
সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার নজির রয়েছে পাকিস্তানের হাসান রাজ়ার। ১৯৯৬ সালে ১৪ বছর ২২৭ দিন বয়সে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তাঁর। রাজ়ার এই বিশ্বরেকর্ড ভাঙতে পারবে না বৈভব। শুধু তা-ই নয়, আইসিসি নিয়ম পরিবর্তন না করলে এই বিশ্বরেকর্ড অক্ষত থেকে যাবে।
সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে বৈভবের। আইপিএল, রঞ্জি ট্রফি, বিজয় হজারে ট্রফি, সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির মতো প্রতিযোগিতায় খেলেছে কিশোর ব্যাটার। কারণ ঘরোয়া ক্রিকেটে আইসিসির এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
ঘরোয়া ক্রিকেট আগ্রাসী ব্যাটিং করে নজর কাড়ার পর ২০২৫ সালের আইপিএলের আগে আলোচনায় উঠে আসে বৈভব। নিলামে তাকে কিনে নেয় রাজস্থান রয়্যালস। তখন থেকে ক্রিকেটপ্রেমীদেরও আগ্রহ তৈরি হয় কিশোর ক্রিকেটারকে নিয়ে। আইপিএল এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে সাফল্যের পর ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ এবং ভারত ‘এ’ দলে সুযোগ পায় বৈভব। ভারতের এমার্জিং এশিয়া কাপ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বৈভবের।