অনেকেই বলছেন, হরমনপ্রীত কৌরদের বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতে মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে উৎসাহ বেড়েছে। কিন্তু ঘটনা হল, ভারতে মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে উৎসাহ ছ’বছর আগে থেকেই বেড়েছে। স্মৃতি মন্ধানা-জেমাইমা রদ্রিগেজ়দের বিশ্বকাপ জয় হয়তো তারই ফসল।
বিবিসি এবং কালেক্টিভ নিউজরুম সংস্থার যৌথ উদ্যোগে একটি সমীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০২০ সাল থেকে ভারতের ১৪টি রাজ্যে ক্রিকেটে মেয়েদের অংশগ্রহণ দ্বিগুণ হয়েছে। এই সমীক্ষায় আরও দেখা গিয়েছে, ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রতি চার জন মেয়ের মধ্যে এক জন খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে নেওয়ার কথা ভেবেছেন।
১৪টি রাজ্যে মেয়েদের ক্রিকেট খেলার হার ২০২০ সালে ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে এখন ১০ শতাংশ হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী এখন ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী ১৬ শতাংশ মেয়ে ক্রিকেট খেলেন। ২০২০ সালে এটি ছিল ৬ শতাংশ। রাজ্যগুলোতে মেয়েদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হিসেবে ক্রিকেট নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেছে। ২০২০ সালে এটি কবাডির চেয়ে সামান্য এগিয়ে ছিল। নতুন পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যে ক্রিকেট এই ব্যবধান অনেকটাই বাড়িয়েছে।
ক্রিকেট খেলার ক্ষেত্রে ছেলে ও মেয়েদের আনুপাতিক ব্যবধানও কমেছে। এখন প্রতি ১ জন মেয়ে ক্রিকেটারের বিপরীতে ৩ জন পুরুষ ক্রিকেটার রয়েছে। ২০২০ সালে এই অনুপাত ছিল ১:৫।
১৪টি রাজ্যের মধ্যে ১২টিতেই মেয়ে ক্রিকেটারের সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশে এই সংখ্যাটা ১ শতাংশ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশ হয়েছে। অর্থাৎ, ১০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এখন ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী ২৬ শতাংশ মেয়ে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে বিবেচনা করেছেন। ২০২০ সালে ছিল ১৬ শতাংশ। এই আগ্রহ সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছে তামিলনাড়ু (২৭%), মধ্যপ্রদেশ (১৯%) এবং মেঘালয়ে (১৯%)।