অভিষেক শর্মা ও সূর্যকুমার যাদবের দাপটে ১০ ওভারে ম্যাচ জিতলেও গুয়াহাটিতে সেই জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছেন জসপ্রীত বুমরাহ। আগের ম্যাচে খেলার সুযোগ পাননি। এই ম্যাচে নেমে ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। হয়েছেন ম্যাচের সেরা। খেলা শেষে তাঁর মুখে চোট-যন্ত্রণার কথা। অন্য দিকে ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব তাঁদের ক্রিকেটীয় দর্শনের কথা শুনিয়েছেন।
খেলা শেষে সঞ্চালক মুরলী কার্তিক বুমরাহকে জানান, ভারতীয় দলে তাঁর ১০ বছর পূর্ণ হল। শুনে বুমরাহ বলেন, “ছোটবেলায় ভারতের হয়ে একটা ম্যাচ খেলার স্বপ্ন দেখতাম। সেখানে দেশের হয়ে ১০ বছর খেলে ফেলাম। অলরাউন্ডার হিসাবে নয়। পেস বোলার হিসাবে। কত চোট পেয়েছি। যন্ত্রণা সামলেছি। কত আলোচনা হয়েছে। সকলে বলত, আমি ৬ মাসের ক্রিকেটার। সেই আমি ১০ বছর খেলে ফেললাম। এটা মুখের কথা নয়। আশা করছি, এখনও কিছু বছর খেলব।”
এই ম্যাচে প্রথম বলেই উইকেট নিয়েছেন বুমরাহ। ষষ্ঠ ওভারে বল করার আগে কী ভাবছিলেন তিনি? বুমরাহ বলেন, “হর্ষিত ও হার্দিককে দেখে বোঝার চেষ্টা করছিলাম, এই পিচে কী ভাবে বল করব। আমি যখন বল করতে গেলাম তখন বল নতুন ছিল না। তাই উইকেটে বল রেখেছি।”
দলে নতুন ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে বুমরাহকে। নতুন বল নয়, বরং মাঝের ওভার ও ডেথ ওভারে বল করছেন তিনি। নতুন ভূমিকা নিয়ে বুমরাহ বলেন, “দল যে ভাবে চাইবে, সেই ভূমিকাতেই আমাকে দেখা যাবে। এশিয়া কাপে পাওয়ার প্লে-র মধ্যে তিন ওভার করছিলাম। এখন পরের দিকে বল করছি। এটা আগে করিনি। কিন্তু সব চ্যালেঞ্জের জন্য আমি তৈরি।”
আরও পড়ুন:
১৫৪ রান মাত্র ১০ ওভারে তাড়া করেছে ভারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দলের নতুন ক্রিকেটীয় দর্শনের কথা শোনালেন অধিনায়ক সূর্য। খেলা শেষে তিনি বলেন, “আমরা এ ভাবেই খেলব। সে প্রথমেই ব্যাট করি, বা রান তাড়াই করি না কেন। হ্যাঁ, যদি ২০ রানে ৩ উইকেট বা ৪০ রানে ৪ উইকেট পড়ে যায়, তা হলে কী ভাবে খেলতে হবে সেটা আমরা জানি। কিন্তু আমরা অন্য ধরনের ক্রিকেট খেলতে চাইছি। তার জন্য এটাই জরুরি।”
এই ম্যাচেও অর্ধশতরান করেছেন সূর্য। কিন্তু তাঁর কাজ দলের টপ অর্ডারের ব্যাটারেরা সহজ করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অধিনায়ক। এই ম্যাচে সুযোগ পেয়ে রবি বিশ্নোই যে ভাবে বল করেছেন তার প্রশংসাও করেছেন সূর্য। তিনি বলেন, “ও জানে ওর শক্তি কী। ও ভাল বল করছে। দল যখন চাপে থাকে, তখন আগেও বিশ্নোই ভাল বল করেছে। ওকে দলে দেখে ভাল লাগছে। ও খেলায় বরুণও বিশ্রাম পেয়ে গেল।”