Advertisement
E-Paper

একজন পাণ্ড্যই জিততে পারে, পয়েন্ট আমাদের বাড়িতেই আসে! হার্দিকের মুম্বইকে হারিয়ে বললেন বেঙ্গালুরুর ক্রুণাল

২২ গজের বাইরে দু’ভাই বন্ধুর মতো। দাদা ক্রুণাল পাণ্ড্যের সঙ্গে অনুশীলন করেন হার্দিক পাণ্ড্য। ছোট থেকে একসঙ্গে খেলেন। পরস্পরের শক্তি, দুর্বলতা সব জানা। তাঁদের লড়াই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বাড়তি উন্মাদনা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৪৯
picture of cricket

ক্রুণাল পাণ্ড্য। ছবি: রয়টার্স।

আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স-রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ম্যাচের আড়ালে থাকে আরও এক লড়াই। পরিবারিক লড়াই। দু’ভাইয়ের লড়াই। মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্যের লড়াই বেঙ্গালুরুর অলরাউন্ডার ক্রুণাল পাণ্ড্যের সঙ্গে। রবিবার ক্রিকেটপ্রেমীরা আরও এক বার সাক্ষী হয়েছেন এই লড়াইয়ের। জয়ের পর ক্রুণাল নিজের বোলিংয়ের রহস্যও ফাঁস করে দিয়েছেন।

২২ গজের বাইরে দু’ভাই বন্ধুর মতো। দাদা ক্রুণালের সঙ্গে অনুশীলন করেন হার্দিক। ছোট থেকে একসঙ্গে খেলছেন। পরস্পরের শক্তি, দুর্বলতা সব জানা। তাঁদের লড়াই তাই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বাড়তি উন্মাদনা। রবিবার জিতেছেন ক্রুণালেরা। ভাই হার্দিকের মুম্বইকে হারিয়ে উঠে ক্রুণাল বলেছেন, ‘‘একজন পাণ্ড্যই জিতত।’’ বুঝিয়ে দিয়েছেন, মাঠের লড়াই তাঁরা উপভোগ করলেও ম্যাচের ফলাফল তাঁদের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করে না।

সাংবাদিক বৈঠকে এসে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ম্যাচ নিয়ে ক্রুণাল বলেছেন, ‘‘ওয়াংখেড়ে আমার প্রিয় মাঠগুলোর একটা। বলতে পারেন, আমার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি। এখানে ছ’বছর খেলেছি। তিন বার চ্যাম্পিয়নও হয়েছি। তাই এখানে আসতে সব সময় ভাল লাগে। একটা দারুণ অনুভূতি কাজ করে। গত বছরও এটাই বলেছিলাম। আর মাঠের লড়াই নিয়ে বলব, একজন পাণ্ড্যই জিততে পারে। যেই জিতুক, পয়েন্ট আমাদের বাড়িতেই আসে। আমার কপাল ভাল ছিল।’’ মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামা ক্রুণালের কাছে শুধু ভাইয়ের বিরুদ্ধে লড়াই নয়। প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধেও লড়াই।

Advertisement

কী পরিকল্পনা ছিল আপনার? ক্রুণাল বলেছেন, ‘‘তেমন কিছু নয়। তবে নতুন কিছু চেষ্টা করতে ভয় পাই না। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম আসার পর লড়াইটা কঠিন হয়ে গিয়েছে। আগে ছয় বা সাত নম্বরে অলরাউন্ডারেরা ব্যাট করতে নামত। এখন আট নম্বরে বিশেষজ্ঞ ব্যাটারেরা নামে। তা ছাড়া বৈভব সূর্যবংশী, মুকুল চৌধরির মতো নতুন ছেলেরা প্রথম বল থেকেই মারতে শুরু করে। প্রায় প্রতি বলেই মারে ওরা। বোলার হিসাবে তাই সব সময় দক্ষতা বজায় রাখা এবং বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দিতে হয়। মানসিক ভাবেও প্রস্তুত থাকতে হয়।’’

ভারতীয় দলের প্রাক্তন সদস্যের মতে আইপিএল স্পিনারদের জন্য অনেক কঠিন হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা আঙুল দিয়ে বল ঘোরান (ফিঙ্গার স্পিনার), তাঁদের জন্য। ক্রুণাল বলেছেন, ‘‘ভাল পারফর্ম করতে পেরেছি। ভাল লাগছে। তবে এই ফরম্যাটে ফিঙ্গার স্পিনারদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে গিয়েছে। যারা নতুন কিছু করতে পারছে, তারাই পারছে। প্রথমত, পাটা পিচ। দ্বিতীয়ত, আট নম্বর পর্যন্ত ব্যাটার। বিষয়টা খুবই কঠিন।’’

স্পিনার ক্রুণাল মাঝে মাঝে খাটো লেংথে গতি বাড়িয়ে বল করেন। ব্যাটারেরা বাউন্সার ভেবে ছেড়ে দেন। এ নিয়ে বলেছেন, ‘‘আমি নিজের মতো করে বল করার চেষ্টা করি। ওভারের চতুর্থ, পঞ্চম বা ষষ্ঠ বলে বাউন্সার করব এমন কোনও পরিকল্পনা থাকে না। কখনও পর পর দুটো বাউন্সার করেছি। আবার কখনও ওভারের প্রথম এবং শেষ বলে বাউন্সার দিয়েছি। যখন মনে হয় বাউন্সার দিলে কাজ হতে পারে, তখন দিই। মনে দ্বিধা রাখি না। আমার বোলিং, বাউন্সার নিয়ে অনেকে আলোচনা করেন। তাঁরা হয়তো মজা পান। তবে আমি বোলিংয়ের প্রাথমিক বিষয়গুলো সব সময় ঠিক রাখার চেষ্টা করি। আমার উচ্চতা ভাল হওয়ায় পিচ থেকে বাড়তি বাউন্স আদায় করতে পারি। বলের ফ্লাইট রদবদল করেও ব্যাটারদের অনেক বার আউট করেছি। আমি কিন্তু অনুশীলনে বাউন্সার করি না। যা করার ম্যাচেই করি।’’

৩৫ বছরের ক্রুণাল জানিয়েছেন, ক্রিকেট উপভোগ করছেন। ভাই হার্দিকের সঙ্গে মাঠের লড়াইও উপভোগ করেন। শুধু ম্যাচের সময়ই তাঁরা পরস্পরের প্রতিপক্ষ। রবিবারের ম্যাচে হার্দিক আউট হওয়ার পর ক্রুণালের উচ্ছ্বাসও নজর কেড়েছে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

spin bowling Krunal Pandya Hardik Pandya RCB MI
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy