লখনউয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে কেকেআরের ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশীকে বিতর্কিত রান আউট দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, তিনি বলের গতিপথের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন যাতে বল উইকেটে না লাগে। সেই আউট নিয়ে এখনও বিতর্ক চলছে। অবশেষে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাল ক্রিকেটের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব বা এমসিসি।
লন্ডনে অবস্থিত এমসিসি জানিয়েছে, অঙ্গকৃশ ইচ্ছাকৃত ভাবেই বলের সামনে দাঁড়িয়ে পড়তে চেয়েছিলেন। অর্থাৎ বলের দিকে চোখ রেখে তিনি তাঁর গতিপথের সামনে দাঁড়িয়ে পড়তে চেয়েছিলেন যাতে বল উইকেটে না লাগে। সে কারণেই দৌড়ের দিক পরিবর্তন করেন।
এমসিসি ক্রিকেটের আইনের ৩৭.১.১ ধারা উল্লেখ করেছে। সেখানে ‘অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড’ আউট বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ব্যাটার যদি আচরণ বা কথার মাধ্যমে ইচ্ছাকৃত ভাবে ফিল্ডিং দলের মনঃসংযোগ নষ্ট করা বা বাধাদানের চেষ্টা করেন তা হলে তাঁকে এই আউট দেওয়া হবে। তবে অঙ্গকৃশের ক্ষেত্রে এমসিসি উল্লেখ করেছে টম স্মিথের প্রকাশিত ‘ক্রিকেট আম্পায়ারিং এবং স্কোরিং’ বইটি।
সেখানে বলা হয়েছে, কোনও ব্যাটার যদি দৌড়নোর সময় দিক পরিবর্তন করেন, বিশেষ করে পিচের উপর দিয়ে দৌড়নোর সময় এমন দিক ধরে দৌড়ন যেখানে প্রান্তে পৌঁছতে বেশি সময় লাগতে পারে, তা হলে মনে করা হবে তিনি ইচ্ছে করে সেই কাজ করেছেন। অঙ্গকৃশের ক্ষেত্রে উপরের ব্যাখ্যাটি যথার্থ। অঙ্গকৃশ পিচের মাঝখান দিয়ে দৌড়েছেন, ‘যা কোনও ভাবেই উচিত নয়’ বলে জানিয়েছে এমসিসি। তাদের মতে, ‘এটি ইচ্ছাকৃত’।
এমসিসি-র আরও ব্যাখ্যা, অঙ্গকৃশ যদি অফসাইডেই থাকতেন তা হলে বল কোনও ভাবেই তাঁকে আঘাত করত না এবং বাধাদানের প্রশ্নই উঠত না। যদি তিনি লেগসাইড দিয়ে দৌড় শুরু করতেন এবং একই পথ ধরে ফিরতে যেতেন, তাতে বল গায়ে লাগলেও তাঁকে আউট দেওয়া হত না। তিনি দিক বদলেছেন বলেই সঠিক ভাবে তাঁকে আউট দেওয়া হয়েছে।
এমসিসি এ-ও জানিয়েছে, ছোড়া বল উইকেটে লাগত কি না বা উইকেটে লাগার আগেই অঙ্গকৃশ প্রান্তে পৌঁছে যেতেন কি না সেটি এ ক্ষেত্রে বিচার্য নয়। এই ধরনের আউটের ক্ষেত্রে বাধাদানই আসল।
আরও পড়ুন:
ঠিক কী হয়েছিল ঘটনাটি?
পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ঘটনাটি ঘটে। প্রিন্স যাদবের বল মিড অনের দিকে ঠেলে রান নিতে ছুটেছিলেন অঙ্গকৃশ। তিনি কিছুটা দৌড়ে আসার পর ফেরত পাঠান ক্যামেরন গ্রিন। অঙ্গকৃশ সঙ্গে সঙ্গে ঘুরে দাঁড়িয়ে ক্রিজ়ের দিকে ছুটতে শুরু করেন। শেষ মুহূর্তে ডাইভ দেন। তার আগেই মহম্মদ শামির থ্রো তাঁর পায়ে লাগে।
এর পরেই শামি-সহ লখনউয়ের ক্রিকেটারেরা আবেদন করতে থাকেন যে, ইচ্ছা করে বলের সামনে এসে রান আউট থেকে বাঁচতে চেয়েছেন অঙ্গকৃশ। অন-ফিল্ড আম্পায়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার দেন তৃতীয় আম্পায়ারকে। তৃতীয় আম্পায়ার জানান, ক্রিজ়ে ফেরার আগে নিজের গতিপথ বদল করেন অঙ্গকৃশ। বৃত্তাকারে ঘুরে গিয়ে ক্রিজ়ে ফেরার চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁর চোখও ছিল বলের দিকে। ফলে তিনি যে ইচ্ছা করে বলের সামনে আসার চেষ্টা করেছেন সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সে সব বিবেচনা করেই তাঁকে আউট দেওয়া হয়।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- আইপিএলের ফাইনাল ৩১ মে, রবিবার। অহমদাবাদে হবে এ বারের ফাইনাল। নতুন কোনও দল এ বার চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে না।
- ২৮ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। গত বছর প্রয়াত ১১ সমর্থকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বার হয়নি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
- এখনও পর্যন্ত আইপিএলের গ্রুপ পর্বের ৭০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা হয়েছে। প্রথমে ২০টি ম্যাচের সূচি জানিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পরে বাকি ৫০টি ম্যাচেরও সূচি ঘোষণা করেছে তারা। তবে প্লে-অফের সূচি এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
-
আইপিএল জিতে বৈভবকে কাছে ডেকে কী বলেছিলেন কোহলি? ৪৩ সেকেন্ডের ভিডিয়োয় অন্দরের কথা ফাঁস
-
গত বছরের পদপিষ্টকাণ্ডের স্মৃতি টাটকা! এ বার কি বেঙ্গালুরুতে বিজয়োল্লাস করবেন কোহলিরা? জানা গেল অন্দরের খবর
-
আইপিএলে ৭০০ রান করতে হবে, মরসুম শুরুর আগে লিখে রেখেছিল বৈভব! পাঁচটি পুরস্কার জেতার পর জানাল সূর্যবংশী
-
টানা দু’বার আইপিএল জয়! জন্মদিনে ধোনি, রোহিতকে ছুঁয়ে পরের লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন আরসিবি অধিনায়ক পাটীদার
-
ফাইনাল না খেলেও আইপিএলের সবচেয়ে মূল্যবান ক্রিকেটার বৈভব! কোন নিয়মে সকলকে ছাপিয়ে পুরস্কার পেল সূর্যবংশী