শুরু করেছিলেন নিখাদ ব্যাটার হিসাবে। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম এবং বাড়তি খিদের কারণেই নিজেকে অলরাউন্ডার এবং সফল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। জানালেন হার্দিক পাণ্ড্য। আইপিএলের আগে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে নিজের উঠে আসার নেপথ্যকাহিনি শুনিয়েছেন হার্দিক। স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মুম্বইয়ের হয়ে আবার আইপিএল জিততে চান।
২০১৩-য় রঞ্জি অভিষেক থেকে ২০১৫-য় আইপিএলে সুযোগ, দীর্ঘ যাত্রা পেরিয়েছেন হার্দিক। ভারতের হয়ে দু’টি বিশ্বকাপ জিতেছেন। জাতীয় দলে জায়গা মজবুত করেছেন। বিতর্কে জড়ালেও সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছেন।
রবিবার এক অনুষ্ঠানে হার্দিক বলেন, “ছোটবেলায় ১৭-১৯ বছর শুধু ব্যাটার হিসাবেই খেলেছি। আমি একটা জিনিস জানতাম, লোককে ১২ পাক দৌড়তে বললে নিজে ১৫ পাক দৌড়ব। হঠাৎ করেই আমি কারও নজরে পড়ে গিয়েছিলাম এবং এক বছর পর রঞ্জি খেলে ফেলেছিলাম।”
সাদা বলের ক্রিকেটে এখন জাতীয় দলের অলরাউন্ডার তিনি। ব্যাটে-বল দু’টিতেই কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারেন। নিজের উত্থানের নেপথ্যে মুম্বইকেও কৃতিত্ব দিয়েছেন হার্দিক। বলেছেন, “ওদের স্কাউটিং দল শুধু রঞ্জি ম্যাচ দেখতে আসেনি, বুঝেছিল আমার মধ্যে বিশেষ কিছু একটা আছে। এটাই মুম্বইয়ের স্কাউটিং দলের অভিনবত্ব। আমাকে মানিয়ে নিতে হয়েছে। নিজের শরীর সম্পর্কে কোনও ধারণাই ছিল না। যতই আপনাকে অন্য কেউ ধাক্কা দিক, নিজেকেই পরিশ্রম করতে হবে। পৃথিবী যতই উপর-নীচ হয়ে যাক। আমি কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাসী। তরুণদেরও সেটাই বলি।”
আরও পড়ুন:
গত বার পঞ্জাবের কাছে এলিমিনেটরে হেরেছিল মুম্বই। এ বার ষষ্ঠ ট্রফিই পাখির চোখ। মুম্বইয়ের অধিনায়ক বলেছেন, “মুম্বইয়ের হয়ে ছ’নম্বর ট্রফিটা জিততে চাই। এই দলটার আলাদা ঐতিহ্য রয়েছে। সমর্থকেরাই মুম্বইয়ের হৃৎস্পন্দন। প্রথম বার খেলার সময় যে আবেগ ছিল সেটাই এ বার দেখাতে চাই।”