Advertisement
E-Paper

শুরুতেই জমে গেল মেয়েদের আইপিএল! শেষ বলে চার মেরে বেঙ্গালুরুকে জেতালেন ডিক্লার্ক, হেরে জেমিদের সামনে হরমনেরা

প্রথমে ব্যাট করে মুম্বই ১৫৪/৬ তুলেছিল। এক সময় মনে হচ্ছিল বেঙ্গালুরু সেই রান তুলতে পারবে না। শেষ ওভারে ২০ রান নিয়ে বেঙ্গালুরুকে জেতালেন ডি ক্লার্ক (অপরাজিত ৬৩)। তিন উইকেটে জিতেছে স্মৃতি মন্ধানার দল।

আনন্দবাজার ডট কম প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:১৫
cricket

বেঙ্গালুরুর জয়ের মুহূর্ত। ছবি: সমাজমাধ্যম।

দু’মাস আগে মুম্বইয়ের এই মাঠেই কান্ডারি হয়ে দেশকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারেননি তিনি। হরমনপ্রীত কৌরের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গিয়েছিলেন। প্রথম বার বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। নবি মুম্বইয়ের সেই মাঠেই শুক্রবার হরমনপ্রীতকে হতাশ হয়ে দেখতে হল নাদিন ডি ক্লার্কের ঝড়। ডব্লিউপিএলের প্রথম খেলায় বেঙ্গালুরুকে হারা ম্যাচ জিতিয়ে দিলেন ডি ক্লার্ক। প্রমাণ করে দিলেন, তাঁকে নিয়ে কোনও ভুল করেনি বেঙ্গালুরু।

প্রথমে ব্যাট করে মুম্বই ১৫৪/৬ তুলেছিল। এক সময় মনে হচ্ছিল বেঙ্গালুরু সেই রান তুলতে পারবে না। শেষ ওভারে ২০ রান নিয়ে বেঙ্গালুরুকে জেতালেন ডি ক্লার্ক (অপরাজিত ৬৩)। তিন উইকেটে জিতেছে স্মৃতি মন্ধানার দল।

ডব্লিউপিএলে চতুর্থ মরসুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান জমকালো করতে চেষ্টার কসুর করেনি ভারতীয় বোর্ড। ম্যাচের অনেক আগেই নবি মুম্বইয়ের স্টেডিয়াম প্রায় পুরোটাই ভর্তি হয়ে যায়। তাঁদের সামনে পারফর্ম করলেন জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ়, হারনাজ় সিংহ সান্ধু এবং হানি সিংহ। শুরুতে পারফর্ম করতে আসেন হারনাজ়। তিনি মহিলাদের ক্রিকেটের উন্নতির বিষয়ে কথা বলেন। এর পর ‘লাল পরি’ গানে নেচে মাতিয়ে দেন জ্যাকলিন। শেষে হানি গেয়ে যান ‘মিলিয়নেয়ার’, ‘ব্লু আইজ়’, ‘লুঙ্গি ডান্স’-এর মতো একাধিক জনপ্রিয় গান। হানির গান শুরু হয় দুই অধিনায়ক স্মৃতি এবং হরমনপ্রীতকে পাশে বসিয়ে।

টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক স্মৃতি। সেই সিদ্ধান্ত যে ঠিক ছিল তা প্রমাণ করেন লরেন বেল। শুরু থেকেই তিনি দুর্দান্ত বল করতে থাকেন। বল পড়ে এতটাই সুইং করছিল যে ব্যাটে লাগাতেই পারছিলেন না মুম্বইয়ের অ্যামেলিয়া কের। বার বার কেরকে পরাস্ত করেন বেল। পাওয়ার প্লে-র আগেই তাঁকে আউট করে দেন। প্রথম ওভারে মেডেনও দেন বেল।

দীর্ঘ ক্ষণ ক্রিজ়ে থাকতে পারেননি ন্যাট শিভার ব্রান্ট (৪)। সপ্তম ওভারে তিনি আউট হওয়ার পর মুম্বই চাপে পড়ে যায়। সেই চাপ থেকে দলকে বাঁচান হরমনপ্রীত এবং জি কমলিনী। দু’জনে তৃতীয় উইকেটে ২৮ রানের জুটি গড়েন। তবে শেষের দিকে এসে ভাল খেলে যান সাজীবন সজনা এবং নিকোলা ক্যারে।

সজনা এতটাই আগ্রাসী খেলতে থাকেন যে মুম্বইয়ের রান এক লাফে অনেকটাই বেড়ে যায়। পঞ্চম উইকেটে সজনা এবং ক্যারে ৪৯ বলে ৮২ রানের জুটি গড়েন। দু’বার প্রাণ পেয়ে তার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করে যান সজনা। মুম্বইয়ের রান ১৫০ পার করে দেন। সাতটি চার এবং একটি ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৫ রান করেন তিনি। ক্যারে ২৯ বলে ৪০ রান করেন।

বেঙ্গালুরুর শুরুটা খারাপ হয়নি। তারা প্রথম উইকেটেই ৪০ রান তুলে দেয়। তবে শুরুটা ভাল করেও লম্বা ইনিংস খেলতে পারেননি গ্রেস হ্যারিস (২৫) এবং স্মৃতি (১৮)। এর পর আচমকাই ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারাতে থাকে বেঙ্গালুরু। ৬৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যায় তাদের।

সেখান থেকে দলের হাল ধরেন অরুন্ধতী রেড্ডি এবং নাদিন ডি ক্লার্ক। দু’জনে ষষ্ঠ উইকেটে ৫২ রানের জুটি গড়েন। অকারণে মারতে না গিয়ে ধীরেসুস্থে খেলেন। তবে জিততে গেলে রান তোলার গতি বাড়াতেই হত। সেটা করতে গিয়েই আউট হন অরুন্ধতী (২০)। ফিরে যান শ্রেয়াঙ্কা পাতিলও (১)।

শেষ ওভারে জিততে দরকার ছিল ১৮ রান। শিভার-ব্রান্টকে দু’টি ছয় এবং একটি চার মেরে দলকে জিতিয়ে দেন ডি ক্লার্ক।

WPL 2026 RCB MI
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy