টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বলার মতো খেলতে পারেননি বাবর আজ়ম। ফলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আসন্ন এক দিনের সিরিজ় থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বাবরের ক্রিকেটজীবনই প্রশ্নের মুখে। তবে এমন সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন। এর মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে পাক ক্রিকেটের নতুন ঝামেলা।
বাবর যে বাদ পড়েছেন, এই কথাটাই স্বীকার করতে চাননি হেসন। তাঁর মতে, সিনিয়র ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে যাতে জুনিয়রদের সুযোগ করে দেওয়া যায়। ২০২৭ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
হেসন বলেছেন, “কেউ বাদ গিয়েছে এ কথা বলতে রাজি নই। প্রতিভাবান ক্রিকেটারেরা যাতে নিজেদের মেলে ধরতে পারে, তার জন্য আগামী সিরিজ়টা ওদের কাছে একটা সুযোগ।”
কেন তরুণদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে সে প্রসঙ্গে হেসনের ব্যাখ্যা, “টি-টোয়েন্টিতে অসাধারণ খেলার জন্যই এক দিনের দলে নেওয়া হয়েছে সাহিবজ়াদা ফারহানকে। এ ছাড়া শামিল হুসেন বা মাজ় সাদাকাতের মতো খেলোয়াড় ঘরোয়া ক্রিকেট বা জুনিয়র দলের হয়ে খুব ভাল খেলেছে। তা ছাড়া পরের সিরিজ়টা সহজ নয়। বাংলাদেশ এক দিনের ক্রিকেটে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ম্যাচ খেলছে। তাই এই সিরিজ় জুনিয়র ক্রিকেটারদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।”
এ দিকে, জাতীয় নির্বাচক এবং কিছু ক্রিকেটারের সঙ্গে হেসনের খটাখটি লেগেছে বলে শোনা গিয়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন বোলার সিকন্দর বখ্ত সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের সব ক্রিকেটারকে বেছে নিয়েছেন শুধু হেসনই। পিসিবি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পদে কর্মরত সিকন্দরের সঙ্গে হেসনের নাকি ঝামেলাও হয়েছে। নির্বাচক আলিম দারও খুশি ছিলেন না।
সিকন্দর বলেছেন, “ওর সঙ্গে বেশ তর্কাতর্কি হয়েছে আমার। আলিমও এ নিয়ে কথা বলেছিল। তবে বাকি নির্বাচকেরা চুপচাপ বসেছিলেন। হেসনের সিদ্ধান্তে আপত্তি করেননি।”
আরও পড়ুন:
প্রাক্তন আম্পায়ার আলিম সম্প্রতি নির্বাচক হিসাবে পদত্যাগ করেছেন। হেসনের কাজকর্মে তিনি খুশি ছিলেন না। দল নির্বাচনে কোচের মাথা গলানো বরদাস্ত করতে পারেননি। সিকন্দর জানিয়েছেন, তাঁদের তরফে ২০টি নাম দেওয়া হলেও হেসন মাত্র ১৫ জনকে বেছে ছিলেন। বাকি কারও কোনও কথা শুনতে চাননি।