দুঃস্বপ্ন ভুলে নতুন করে শুরু করতে চলেছে বেঙ্গালুরু। নতুন করে শুরু করতে চলেছে চিন্নাস্বামীও। গত বার আইপিএল জেতার পর উল্লাসের সময় এই চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরেই পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১১ জনের। তাঁদের মধ্যে ১৪ বছরের এক কিশোরও ছিল। এ বার আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে সেই ১১ জনকে শ্রদ্ধা জানানো হবে। তার জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ করেছে কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু দল।
জানা গিয়েছে, চিন্নাস্বামীর প্রবেশপথে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ১১ জনের নাম খোদাই করা আছে। সেই সৌধের উদ্বোধন হবে ২৮ মার্চ। পাশাপাশি গ্যারালিতে ১১টি আসন সংরক্ষিত করে রাখা হবে। একটি স্ট্যান্ডে একসঙ্গে এই ১১টি আসনকে আলাদা করে রাখা হবে। শুধু আইপিএল নয়, আন্তর্জাতিক ম্যাচেও এই ১১টি আসনের টিকিট বিক্রি করা হবে না। কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, ওই ১১ জন চিন্নাস্বামীতে চিরকাল খেলা দেখবেন। কেউ তাঁদের আসনে বসতে পারবেন না। এটাই আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ।
২৮ মার্চ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে মৃতদের শ্রদ্ধা জানাবেন বিরাট কোহলিরা। এক মিনিট নীরবতা পালন হবে। সেই সময় জায়ান্ট স্ক্রিনে ১১ জনের নাম দেখানো হবে। খেলা শুরুর আগে অনুশীলনে বেঙ্গালুরুর ক্রিকেটারেরা ১১ নম্বর জার্সি পরবেন। খেলার সময় কালো আর্মব্যান্ড পরে থাকবেন কোহলিরা।
আরও পড়ুন:
ক্রিকেট বা ফুটবল মাঠে স্মৃতিসৌধ নতুন নয়। ১৯৮৯ সালের ১৫ এপ্রিল এফএ কাপের সেমিফাইনালের সময় শেফিল্ডের মাঠে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছিল লিভারপুলের ৯৭ সমর্থকের। তাঁদের স্মৃতিতে লিভারপুলের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে একটি সৌধ রয়েছে। সেই একই ঘটনা এ বার দেখা যাবে চিন্নাস্বামীতে।
কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি বেঙ্কটেশ প্রসাদ এই প্রসঙ্গে ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’-কে বলেন, “যে ঘটনা ঘটেছে তা ভাবতেও কষ্ট হয়। কিন্তু আমাদের তো এগিয়ে যেতে হবে। অনেক দিন ধরে এই সৌধ ও আসন সংরক্ষণের কথা ভাবা হয়েছে। রাজ্য সংস্থা ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু একমত হয়েছে। তার পর আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”