টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন উসমান তারিক। পাকিস্তানের এই স্পিনারের অদ্ভুত অ্যাকশন নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। তবে তাঁর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আম্পায়ার কোনও দিন হস্তক্ষেপ করেনি। কিন্তু তাঁর মতো বল করতে গিয়ে সমস্যায় অন্য এক বোলার। বল করার আগেই ‘ডেড বল’ ঘোষণা করলেন আম্পায়ার।
ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীলঙ্কার স্কুল ক্রিকেটের এক প্রতিযোগিতায়। ১৯০৫ সাল থেকে চলছে এই প্রতিযোগিতা। শতবর্ষ পুরনো প্রতিযোগিতায় রিচমন্ড কলেজের এক বাঁহাতি স্পিনার নেথুজা বাসিথা বল করার সময় তারিকের মতো অ্যাকশন করার চেষ্টা করে। বল করার ঠিক আগে কয়েক সেকেন্ড থামে সে। তার পর বল ছোড়ে। তারিকও এতটা থামে না। তারিককে অনুসরণ করতে গিয়ে তাঁর থেকেও বেশি ক্ষণ থামে নেথুজা।
আম্পায়ার অবশ্য তা মেনে নেননি। নেথুজার বল ব্যাটারের কাছে পৌঁছোনোর আগেই হাতের ইশারায় ‘ডেড বল’ ঘোষণা করেন আম্পায়ার। তার পরেও নেথুজা একই কায়দায় বোলিং চালিয়ে যায় কি না তা জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:
‘মেলিরিবোন ক্রিকেট ক্লাব’-এর ৪১.৪ ধারা অনুযায়ী, যদি আম্পায়ার মনে করেন যে বোলার ইচ্ছা করে ব্যাটারের মনসঃযোগ ভাঙার চেষ্টা করছেন, তা হলে আম্পায়ার ডেড বল ঘোষণা করতে পারেন। নিয়মে বলা হয়েছে, আম্পায়ার চাইলে বোলিং দলকে জরিমানা করে ব্যাটিং দলকে অতিরিক্ত ৫ রানও দিতে পারেন।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারিকের অদ্ভুত অ্যাকশনের জন্য সব দল তাঁকে সমীহ করছিল। ভারতের বিরুদ্ধে তারিককে বড় অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করে তারা। কিন্তু তা বিশেষ কাজে লাগেনি। সুপার এইটের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে রান দেন তারিক। সেই তাঁকেই নকল করার ঘটনা ঘটল শ্রীলঙ্কার স্কুল ক্রিকেটে।