রবিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল। তার আগে চর্চা হচ্ছে অহমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে। মুম্বইয়ের পিচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৪৯৯ রান উঠেছিল। অহমদাবাদের পিচেও কি রানের ফোয়ারা দেখা যাবে? নাকি সুবিধা পাবেন বোলারেরা?
অহমদাবাদে শিশির পড়ে ঠিকই। তবে যে সময়ে খেলা হচ্ছে তাতে শিশির পড়ার সম্ভাবনা খুব একটা নেই। পরের দিকে ব্যাট করলে সুবিধা হবে এমনটাও নয়। ফলে সূর্যকুমার যাদব যদি রবিবার টসে জেতেন, প্রথমে ব্যাট করাই উচিত। এতে ব্যাটারেরা অনেক খোলা মনে খেলতে পারবেন। রানের বোঝা কাঁধে নিয়ে খেলতে নামতে হবে না।
জানা গিয়েছে, ফাইনালে যে পিচ ব্যবহার করা হচ্ছে তা কালো মাটি এবং লাল মাটি মেশানো পিচ। তবে লাল মাটির পরিমাণই বেশি থাকবে যাতে ব্যাটারেরা সুবিধা পেতে পারেন। মোটের উপর বলা যায়, মুম্বইয়ের মতো না হলেও রানের বন্যা দেখা যাবে অহমদাবাদের পিচে। ঘূর্ণি থাকার সম্ভাবনা বেশ কম। পিচে গতি এবং বাউন্স থাকবে। ফলে ব্যাটারদের শট খেলতে সুবিধা হবে। দুই দলের তারকারা খোলা মনে নিজেদের শট খেলতে পারবেন।
চলতি বিশ্বকাপে মাত্র একটিই ম্যাচ হয়েছে ওই পিচে। কানাডার বিরুদ্ধে ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ২১৩/৫ তুলেছিল। জিতেছিল ৫২ রানে। সে দিন দুই তরফেই স্ট্রোকপ্লে, বাউন্স দেখা গিয়েছিল। পরিস্থিতির বিরুদ্ধে গিয়ে ব্যাটারদের ব্যাট করতে হয়নি। কালো মাটির পিচে বরং অনেকটাই অসুবিধা হয়। বল থমকে থমকে আসে। অতীতে রোহিত শর্মা কালো মাটির পিচে ব্যাট করার প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “বল পড়ে আচমকা পিছলে আসে। শুরুর দিকে একদম ব্যাটের মাঝখান দিয়ে খেলতে হয়।”
আরও পড়ুন:
‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’কে বোর্ডের এক সূত্র বলেছেন, “খেলোয়াড়োচিত পিচ হবে, যাতে দুই দলই সমান সুবিধা পায়। পিচে লাল মাটির পরিমাণ বেশি থাকবে। ফলে বাউন্স থাকবে। ব্যাটারদের সুবিধা হবে।” কালো মাটি থাকছে পিচের নমনীয়তা এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে। এই মাটি পিচকে শক্ত করে রাখতে সাহায্য করে।