আইপিএলে খারাপ ফর্মের কারণে সূর্যকুমার যাদব আর টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক থাকবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাঁকে নিয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন কোচ গৌতম গম্ভীর। একইসঙ্গে জল্পনা শুরু হয়েছে সূর্যকে সরিয়ে দেওয়া হলে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নিয়ে। তালিকায় আপাতত রয়েছে চার জনের নাম।
প্রথম পছন্দ অবশ্যই শ্রেয়স আয়ার। যতই পঞ্জাব আইপিএলে টানা ছ’টি ম্যাচ হারুক, শ্রেয়সের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন কেউই তুলছেন না। তাঁর ঠান্ডা মাথা এবং কৌশল অনেকেরই মন জয় করেছে। কিন্তু গম্ভীরের দর্শনের সঙ্গে তিনি কী ভাবে মানিয়ে নেবেন তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। কারণ, কেকেআরে গম্ভীরের অধীনে শ্রেয়স খেলেছিলেন এবং আইপিএলও জিতিয়েছিলেন। তার পরের বছরই কেকেআর ছাড়েন। শোনা গিয়েছিল, ট্রফিজয়ের যাবতীয় কৃতিত্ব গম্ভীরকে দেওয়ায় শ্রেয়সের ভাল লাগেনি। তাই গম্ভীরের বিরুদ্ধে পুরনো ‘রাগ’ থাকলে, সেই দূরত্ব কী ভাবে ঘুচবে তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে।
দ্বিতীয় স্থানে শুভমন গিল। তিনি টেস্ট এবং এক দিনের দলের অধিনায়ক। টি-টোয়েন্টিতেও স্বাভাবিক ভাবেই নেতৃত্বের দৌড়ে ছিলেন। কিন্তু দেশের জার্সি গায়ে খারাপ ফর্মের কারণে বিশ্বকাপের আগে দল থেকে বাদ পড়েন। আইপিএলের ফর্ম তাঁকে আবার জাতীয় দলে ফেরাতে পারে এবং অধিনায়কও করে দিতে পারে।
তৃতীয় এবং চতুর্থ নাম বেশ অবাক করার মতো। তিলক বর্মাকে নেতৃত্বের জন্য ভাবা হচ্ছে। তাঁকে ভারত এ দলের অধিনায়ক করা হচ্ছে। বোর্ডের এক সূত্র বলেছেন, “সূর্যকে সরানো হলে তিলকের কথা ভাবতেই হবে। ও ত্রিদেশীয় সিরিজ়ে ভারত এ দলের দায়িত্বে। নির্বাচকেরা ওর নেতৃত্বের দক্ষতা দেখে নিতে পারবেন।”
আরও পড়ুন:
চতুর্থ নাম সঞ্জু স্যামসনের। রাজস্থানের অধিনায়ক হিসাবে তাঁর অভিজ্ঞতা প্রশ্নাতীত। হয়তো পরের মরসুমে চেন্নাইয়ের অধিনায়কও হতে পারেন। ভবিষ্যতে ভারতের অধিনায়ক হওয়ার সম্ভাবনাও থাকছে। তবে সঞ্জুরও বয়স হয়েছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় তাঁকে অধিনায়ক হিসাবে ভাবা সম্ভব নয়।