×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৩ জুন ২০২১ ই-পেপার

ক্লাব সাড়ে তিন ঘণ্টার বৈঠক, তবু ইস্টবেঙ্গল-শ্রী সিমেন্ট চুক্তি জট অব্যাহত

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৭ মার্চ ২০২১ ২৩:৪৪
লাল-হলুদের সমস্যা কাটছেই না।

লাল-হলুদের সমস্যা কাটছেই না।
ফাইল চিত্র

বিনিয়োগকারীদের শর্ত মেনে ইস্টবেঙ্গল কি আদৌ চূড়ান্ত চুক্তিতে সই করবে? আগামী মরসুমে শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েই কি লাল-হলুদ আইএসএল খেলবে? অগণিত সমর্থকের মনে এই দুটো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে লগ্নিকারী ও ক্লাব, দুই শিবির নিজেদের অবস্থান থেকে সরতে রাজি নয়। ফলে চুক্তি জট এখনও খোলেনি। খুব দ্রুত এই জট খোলার সম্ভাবনা নেই।

বুধবার কার্যকরী কমিটির সাড়ে তিন ঘণ্টার বৈঠকেও কিন্তু এই বিষয়ে কোনও ইতিবাচক দিক পাওয়া গেল না। বরং লাল-হলুদের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার জানিয়ে দিলেন তাঁরা নিজেদের অবস্থানে এখনও অনড়। অন্য দিকে ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙ্গুরও তাঁর অবস্থান থেকে সরতে নারাজ। তাঁর শিবিরের স্পষ্ট দাবি চূড়ান্ত চুক্তিতে ক্লাব সই না করলে তাঁদের তরফ থেকে আর বিনিয়োগ করা সম্ভব নয়। ফলে দলের ফুটবলারদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে।

এদিন ক্লাবে তিন ঘণ্টার বৈঠকের পর দেবব্রত সরকার যা বললেন তাতে জট আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “চুক্তির কয়েকটা বিষয় নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। সেই জন্য গত ২ ডিসেম্বর ক্লাব ও শ্রী সিমেন্টের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী তরুণ ঝুনঝুনওয়ালার কাছে একটি খসড়া পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এর কোনও জবাব এখনও আসেনি। তবে এই খসড়ার ভিত্তিতে বৈঠক হলে আমরা আলোচনা করতে রাজি। এরপরেও যদি ফের সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে ফের একবার সদস্য-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।”

Advertisement

যদিও এরপরেও বিনিয়োগকারীদের তরফ থেকে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে ভারতে আসছেন হরি মোহন বাঙ্গুর ও প্রশান্ত বাঙ্গুর। এরপর ২৪ মার্চ তাঁদের কলকাতায় আসার কথা। আগে শোনা গিয়েছিল তাঁরা ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। তবে ক্লাবে বুধবারের বৈঠকের পর সেই আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ গত ১ সেপ্টেম্বর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে যে চুক্তিপত্রে সই করা হয়েছিল সেটা মেনেই এগোতে চাইছেন হরিমোহন বাঙ্গুর। চুক্তিতে সই করার সময় যে যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল সেগুলোই বজায় রাখতে হবে। সেটা মানলে ভাল। আর না মানলে বিচ্ছেদ নিশ্চিত। গত মরসুমে প্রায় ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়ে গিয়েছে। তাদের তরফ থেকে আর অর্থ বিনিয়োগ করা সম্ভব নয়।

Advertisement