২৪ ঘণ্টা আগেই ইস্টবেঙ্গল জানিয়েছিল, ইমামির সঙ্গে বৈঠকে আগামী মরসুমের জন্য শক্তিশালী দল তৈরি করার আবেদন করবে তারা। আবেদন না মানলে অন্য পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠক হল। বৈঠক শেষে শক্তিশালী দল তৈরির করার আশ্বাস দিলেন ইমামি কর্তারা। এমনকি নীতা অম্বানীর সংস্থা এফএসডিএল (ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড)-কে চিঠি পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল।
বৃহস্পতিবার বাইপাসের ধারে ইমামির অফিসে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি কর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে বৈঠক চলে। বৈঠক শেষে ইমামি কর্তা আদিত্য আগরওয়াল জানান, সামনের মরসুমে কোচ বদল হতে চলেছে। অর্থাৎ, স্টিভন কনস্ট্যানটাইনের বিদায় নিশ্চিত। তবে সুপার কাপ পর্যন্ত তিনিই কোচ থাকবেন। পরের মরসুম থেকে নতুন কোচ দায়িত্ব নেবেন। ইস্টবেঙ্গলের কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ওড়িশা এফসির কোচ জোসেপ গোম্বাউ।
আদিত্য আরও জানিয়েছেন, গত মরসুমেও তাঁরা ভাল দল করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের হাতে খুব বেশি বিকল্প ছিল না। তাই শক্তিশালী দল করা যায়নি। পরের মরসুমে তাঁরা আরও বেশি বিনিয়োগ করতে চান। যাতে ভাল ফুটবলারদের নিয়ে শক্তিশালী দল তৈরি করা যায়।
আরও পড়ুন:
বৈঠক শেষে ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, ‘‘পরের মরসুমে ভাল দল হওয়ার বিষয়ে আমরা আশাবাদী। বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমরা ইমামি কর্তাদের বলেছি যাতে আগামী মরসুমে আমাদের ভাল ফল হয়।’’
পাশাপাশি এফএসডিএল-কে চিঠি পাঠাতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের আবেদন, নতুন করে প্লেয়ারস ড্রাফট আয়োজন করা হোক। তা হলে খোলা বাজার থেকে নিজেদের পছন্দমতো ফুটবলার নিতে পারবে ইস্টবেঙ্গল। ঠিক যেমনটা আইপিএলের নিলামের সময় হয়ে থাকে। তবে এফএসডিএল এই প্রস্তাবে সাড়া দেবে কি না তা অনিশ্চিত।
বৃহস্পতিবার বৈঠকের আগে ইমামির অফিসের বাইরে এক দল ইস্টবেঙ্গল সমর্থক বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দাবি, ভাল দল তৈরি করতে হবে। মোহনবাগানের মতো দল তৈরি করতে না পারলে আইএসএল খেলার কোন অর্থ নেই বলে দাবি করেছেন তাঁরা।